টানা ভারীবর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জলবদ্ধতার কারণে আনোয়ারার ১১ ইউনিয়নের বাসিন্দারা পানিবন্দী হয়ে পড়ার পাশাপাশি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, জোয়ার ও জলবদ্ধতার কারণে আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর, জুঁইদন্ডী, বৈরাগ, চাতরি, বারখাইন, বরুমচড়া, পরৈকোড়া, বটতলী, বারশত, আনোয়ারা ও হাইলধর ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারমধ্যে মৎস্যঘের ও পুকুরের ৫০ হেক্টর জমির মাছ ভেসে গিয়েছে, যার ক্ষতির পরিমাণ ১ কোটি টাকার বেশি। সড়ক যোগাযোগ খাতে ক্ষতি হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের ১৫টি সড়ক ও ৫টি ব্রিজ, কালভার্ট রয়েছে। এছাড়া ৩৩০ হেক্টর আউশ ধান, ৫১.৮ হেক্টর আমন বীজতলা, সবজি ৭১.৭ হেক্টর ও ১৩.১ হেক্টর ফল বাগান রয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে ক্ষতি হয়েছে ৭৩ কিলোমিটার লাইন আর আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১২৮ কিলোমিটার, যার মূল্য সাড়ে ৪২ লাখ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থানীয়দের বসতঘর, কবরস্থান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার থেকে পানি কিছুটা কমতে দেখা গেলেও এখনো উপজেলায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন।
আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিন উদ্দীন বলেন, এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা ১৫০০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। জেলা প্রশাসন থেকে ২০ মেট্রিক চাল বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। শনিবার (আজ) সকালে উপজেলার পরৈকোড়াসহ বিভিন্ন গ্রামে মাননীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক সাথে বরাদ্ধকৃত চাল বিতরণ করা হবে।











