অনূর্ধ্ব–১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে দুর্বার গতিতে ছুটে চলা বাংলাদেশের জয়রথ থেমে গেল ফাইনালে। ই–টায়ারের ফাইনালসে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের বিপক্ষে পেরে ওঠেনি দল। আজারবাইজানের বাকুতে শুক্রবার ৪–১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। ব্যবধান কমানো একমাত্র গোলটি করেন তাকিব। প্রথমার্ধের চতুর্দশ মিনিটে মহির গোলে এগিয়ে যায় সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তাকিবের লক্ষ্যভেদ সমতায় ফিরে বাংলাদেশ। এরপর মহি আরও দুই গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণের পাশাপাশি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের জয় নিশ্চিত করে দেন। পাঁচ ম্যাচে একটি জয়, দুটি ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম হয়ে বাছাই শেষ করে বাংলাদেশ। এরপর ‘ই’ টায়ারের খেলায় টানা চার জয় পান বায়েজিদ–রাতুলররা। ফাইনালে আর পারলেন না তারা।
ওয়েলসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে বাছাই শুরুর পর, পর্তুগালের বিপক্ষে ৩–১ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। তৃতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার সাথে ১–১ ড্র করে তারা। এরপর, বুরুন্ডির বিপক্ষে ২–০ গোলে হারের পর, ফিজিকে বিপক্ষে ৩–১ ব্যবধানে জিতেছিল দল। শেষ বত্রিশের লড়াই নির্ধারিত সময়ের খেলা ১–১ সমতায় শেষের পর, সিশেলসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে ৪–২ গোলে জয় পায় বাংলাদেশ। শেষ ষোলোর ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১–১ সমতায় শেষের পর, টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে জিতেছিল তারা। কোয়ার্টার–ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪–০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেওয়ার পর, সেমি–ফাইনালে গ্যাবনকে ১–০ গোলে হারিয়ে ই–টায়ারের ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। এবারই প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ফিফা অনূর্ধ্ব–১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল। আসরে অংশ নিয়েছে ১৮৯টি দেশের দল। আটজনের দল নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিটি ম্যাচে খেলা হয় ২০ মিনিটের দুই অর্ধে। ছয়টি ভিন্ন টায়ারে ভাগ করা প্রতিযোগিতায় ই–টায়ারের ফাইনালে হেরে সামগ্রিকভাবে ১৩০তম স্থানে থেকে অভিযান শেষ করল বাংলাদেশ।












