হাসপাতাল সুস্থ করার জায়গা; অথচ সেখানকার বর্জ্যই যদি রোগ ছড়ানোর উৎস হয়, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, রক্তমাখা তুলা, গ্লাভস, ব্যান্ডেজ ও ওষুধের বর্জ্য অনেক সময় সাধারণ আবর্জনার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। কোথাও তা খোলা জায়গায় পড়ে থাকছে, কোথাও অপরিকল্পিতভাবে ফেলা হচ্ছে। এতে রোগী, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং আশপাশের মানুষ সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার সুযোগ নেই। সংক্রমণশীল ও সাধারণ বর্জ্য উৎসেই আলাদা করা, নিরাপদে সংরক্ষণ, পরিবহন ও বৈজ্ঞানিকভাবে নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। শুধু নিয়ম জারি করলেই হবে না নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও আকস্মিক পরিদর্শন জরুরি। অনিয়মের প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনই কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
মুহিবুল হাসান রাফি
শিক্ষার্থী,
চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ।











