সুস্থতার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা

বিভাস গুহ | সোমবার , ৮ আগস্ট, ২০২২ at ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ

জীবনে বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ থাকা প্রয়োজন। শারীরিক এবং মানসিক উভয় দিক থেকে। শরীর সুস্থ থাকলে মনও সুস্থ থাকে। সুস্থ শরীরে সুস্থ মনের অবস্থান। জীবনকে উপভোগ করার জন্য সুস্থ থাকার কোনো বিকল্প নেই। অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবনের আনন্দকে কখনও উপলব্ধি করা যায় না। আর আনন্দহীন জীবন হতাশায় নিমজ্জিত থাকে সারাক্ষণ। হতাশা থেকে মুক্তির জন্য আনন্দের প্রয়োজন। আমরা যদি সচেতন হয়ে জীবন যাপন করি তবে সুস্থ থাকা যায়। তাই সুস্থ থাকার জন্য সচেতন হওয়া জরুরি।
শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিয়মিত হালকা শরীরচর্চা, শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, পরিমিত আহার, তেল চর্বি ও অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার যথাসম্ভব পরিহার, ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান এবং যথাসময়ে আহার করে নিয়মমাফিক চলাফেরা করার মাধ্যমে মানুষ সুস্থ সুন্দর জীবন যাপন করতে পারে। জোর দিতে হবে পরিমিত আহারে। মনে রাখতে হবে সবসময়, ভোজনে ওজন বাড়ে। শরীরের ওজন বেশি হলে রোগ এসে বাসা বাঁধবে সহজে। এছাড়াও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, আহার গ্রহণের আগে এবং পরে সাবান দিয়ে হাত ধুঁয়ে আহার গ্রহণ করা। আমরা সবসময় রোগে আক্রান্ত হবার পরে রোগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি কিন্তু রোগে আক্রান্ত হবার আগে রোগ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করি না।
চিকিৎসকরা সবসময় রোগীর কল্যাণ এবং সুস্থতাই কামনা করেন। তাই ঔষধ নির্বাচনের পূর্বে পরীক্ষা করাটা জরুরি মনে করেন তারা। ডাক্তাররা কিন্তু তাই করে থাকে। কিন্তু ৪০০/ ৫০০ টাকা বাঁচাতে গিয়ে নিজের শরীরের কতবড় ক্ষতি করছি সেটা আমরা ভেবে দেখি না। ঔষধ খেয়ে হয়ত ভালো হয়ে যাই কিন্তু বড় কোনো রোগ এসে শরীরে বাসা বাঁধে কিনা সেটা বুঝতে পারি না। বর্তমানে ভেজালের যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তাতে কে কখন কোনো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তা বোঝার কোনো উপায় নেই। এমনকি ঔষধেও ভেজাল পাওয়া যাচ্ছে বলে পত্রিকার পাতায় আমরা দেখতে পাচ্ছি। তাই সময় থাকতে সচেতন হয়ে সুস্থ থাকা অপরিহার্য।