প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক) তানভীর গনি বলেন, আমাদের আমদানি নির্ভর অর্থনীতিতে আমদানিকারকদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য হেজিং দরকার হয়। এ ক্ষেত্রে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি অর্থমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও ডিরেগুলেশন করতে হবে। কথায় কথায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে যেতে হবে না। ডিরেগুলেশনের জন্য এ সরকার কাজ করছে। তিনি মিউচুয়াল ফান্ড সক্রিয়করণের উপরও জোর দিয়ে বলেন, ইকুইটি মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসির ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। গত বুধবার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জে ডেরিভেটিভস ট্রেডিংয়ের জন্য হাই ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি দরকার। তবে আজকের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে নিউ অ্যাসেট ক্লাস চালুর জন্য সিএসই প্রস্তুত। গনি উপস্থাপিত বিষয়গুলো সংক্রান্ত কিছু বিষয় জানতে চান এবং পরিশেষে বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ওপর এখন আলোকপাত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিএসইর বিকল্প নেই। তিনি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ দ্রুত চালুর আশ্বাস দেন।
সভার শুরুতে সিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, সিএসই’র বাজারচিত্রসহ এক্সচেঞ্জের সার্বিক পরিচিতি তুলে ধরেন। কমোডিটি এক্সচেঞ্জের জন্য কারিগরি প্রস্তুতির বিষয়টি উপস্থাপন করেন মহাব্যবস্থাপক ও আইটি বিভাগের প্রধান মেজবাহ উদ্দিন। সিএসই’র সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ফয়সাল হুদা কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জের বিষয়টি বিশদরূপে উপস্থাপন করেন।
এ সময় সিএসই’র চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান, পরিচালক মেজর (অবঃ) এমদাদুল ইসলাম, নাজনীন সুলতানা ও শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সিএসই’র চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ব্রোকার এবং কমোডিটির অনুমোদন লাভের অপেক্ষায় রয়েছি। সিএসই’র পরিচালক এমদাদুল ইসলাম বলেন, আপনার বক্তব্য আমাদের মনে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য সত্যিকার আশা সঞ্চার করেছে। আমাদের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা, জাতির জন্য মাইলস্টোন এই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ আপনার হাত ধরে চালু হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













