কক্সবাজারের মহেশখালীতে রক্ষণাবেক্ষণ শেষে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা আগেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। গতকাল বিকেল চারটা থেকে টার্মিনালটি গ্যাস সরবরাহ দেয়ার কথা থাকলেও আগেভাগে কাজ শেষ হওয়ায় দুপুর ১টা থেকে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম চালু করা হয়। ফলে দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ধারায় ফিরেছে।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য গত বুধবার সকাল ৮টায় সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল শনিবার বিকেল চারটা পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের তিনঘণ্টা আগে গতকাল বেলা ১টা থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে সামিট। গত বুধবার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাসের যোগান বেশ কমে গিয়েছিল। পুরোপুরি আমদানিকৃত এলএনজি নির্ভর চট্টগ্রামেও গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। তবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি রেশনিং করে কিছু বড় শিল্পগ্রুপের গ্যাস কমিয়ে দেয়ায় চট্টগ্রামের পরিস্থিতি অসহনীয় হয়নি। দেশে বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা
দৈনিক প্রায় চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ থাকে গড়ে দুই হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। প্রতিদিন চাহিদার তুলনায় ঘাটতি প্রায় এক হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে মোট সরবরাহের ৯০০ থেকে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। ফলে এলএনজি সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও বিদ্যমান সংকট আরো তীব্র হয়ে ওঠে। অপরদিকে চট্টগ্রামে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে যোগান দেয়া হয় ২৫০ থেকে ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর পুরোটাই আমদানিকৃত এলএনজি নির্ভর।












