নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার এক বাসিন্দাকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে ৪১ লাখ ২৮ হাজার ৮২৯ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহ আলম টেকনাফ উপজেলার পুরান পল্লান পাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি কাঠগড়ায হাজির ছিলেন না। তিনি পলাতক। এ জন্য তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।
দুদুক পিপি রেজাউল করিম রনি আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের পৃথক দুটি ধারায় শাহ আলমকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
আদালতসূত্র জানায়, সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য শাহ আলমকে ১৪ কার্যদিবসের সময় বেধে দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। বিপরীতে দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে অর্ধ কোটিরও বেশি মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য উঠে আসে। এ ঘটনায় দুদক শাহ আলমের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে একটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চার্জশিট দাখিল করা হলে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।











