ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টিসহ (সিজেপি) কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে অন্তত পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। খবর বাংলানিউজের।
ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, আটকের ঘটনাগুলো সমালোচনামূলক কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে ভারত সরকারের মরিয়া প্রচেষ্টারই ইঙ্গিত দেয়। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার বোর্ড চেয়ারম্যান আকার প্যাটেল বলেন, কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে ও বিনাশর্তে সেই সব ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে হবে, যাদের কেবল মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণভাবে একত্রিত হওয়ার অধিকার প্রয়োগ করার জন্য আটক করা হয়েছে। দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) ভারতীয় পুলিশকে সাংবাদিকদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।
সিপিজের এশিয়া প্যাসিফিক প্রোগ্রাম কো–অর্ডিনেটর কুণাল মজুমদার বলেন, আমরা দিল্লি পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা অবিলম্বে আটক হওয়া সব সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীকে মুক্তি দেয়।
সেইসঙ্গে কোনো ধরনের বাধা ছাড়া গণমাধ্যমকে দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ এবং পুলিশের ভূমিকা কাভার করার সুযোগ দেওয়া হয়। হার্ড নিউজ ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সঞ্জয় কাপুর বলেছেন, মোদী সরকারকে বিক্ষোভকারীরা কী করতে পারে তা নিয়ে এত আতঙ্কিত ও ভীত হতে দেখাটা খুবই অদ্ভুত। তিনি বলেন, সত্যিটা হলো বিজেপি ও কেন্দ্র সরকার পুরো বিষয়টি কীভাবে শেষ হবে তা নিয়ে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। সঞ্জয় কাপুর উল্লেখ করেন, বিক্ষোভে আসা বেশিরভাগ মানুষই চান না মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি ক্ষমতায় থাকুক। তিনি আরও বলেন, মোদী সরকার এই মুহূর্তে তাদের গ্রহণযোগ্যতা হারাতে শুরু করেছে। তিনি যোগ করেন, বিজেপি ভয় পাচ্ছে যে তাদের পায়ের নিচের মাটি ব্যাপকভাবে সরে গেছে এবং পরবর্তীতে তাদের ক্ষমতায় ফিরে আসাটা খুবই কঠিন হবে।












