চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেছেন, শিক্ষার্থীদেরকে নিজেদের মেধাকে ব্যবহার করে সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। বর্তমান বিশ্ব গ্লোবালাইজেশনের যুগ, তাই শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিকভাবে চিন্তা করতে হবে। ভবিষ্যত বিশ্ব শিক্ষার্থীদের চিন্তা, প্রচেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, চুয়েটের বৈশ্বিক যোগাযোগব্যবস্থা অনেক শক্তিশালী। আমাদের অনেক শিক্ষক ও গবেষক দেশের বাইরে গবেষণা করছেন। তোমরা যখন তোমাদের পেশাগত জীবনে যাবে, তখন সবসময় চিন্তা করবে আমি যা করতে চেয়েছি, তা কতটুকু যথাযথ ও কার্যকর হচ্ছে। বর্তমান ডিজিটালাইজেশনের যুগে আমরা যত কাজই করি না কেন, সিএসই গ্রাজুয়েটদের সহযোগিতা ছাড়া বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আমি চাই, চুয়েটকে অতি দ্রুত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে। এ জন্য সবার সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা কামনা করছি।
গতকাল রোববার চুয়েটের সিএসই বিভাগের অপারেটিং সিস্টেম ল্যাবে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘মেশিন লার্নিং এন্ড ইটস ট্রান্সলেশন ইন এগ্রিকালচার, হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট রিসার্স’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ ইব্রাহিম খান, সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব, মারডক ইউনিভার্সিটি অস্ট্রেলিয়ার স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এনার্জি এর ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. শফিউল্লাহ এবং মারডক ইউনিভার্সিটি অস্ট্রেলিয়ার ইন–কান্ট্রি ম্যানেজার জাসদীপ সান্ধু। কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মারডক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক ড. ফেরদৌস সোহেল। এতে সভাপতিত্ব করেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. প্রণব কুমার ধর। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন সিএসই বিভাগের প্রভাষক সাইমুম হোসাইন সোহান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










