শাটলের সমস্যা নিরসনে চবি ও রেলওয়ের সভা

চবি প্রতিনিধি | মঙ্গলবার , ৫ মে, ২০২৬ at ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের প্রধান যাতায়াত মাধ্যম শাটল ট্রেনের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে প্রশাসন ও বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্ব) কর্তৃপক্ষের মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় উপাচার্য দপ্তরে আয়োজিত এই সভায় শাটল ট্রেনের সুবিধা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা জোরদার এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্‌ফোরকানের সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্ব) জেনারেল ম্যানেজারের (জিএম, পূর্ব) নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপউপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিনসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং চাকসুর প্রতিনিধিবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় চবি উপাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে শাটল ট্রেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ শিক্ষার্থী এই ট্রেনের ওপর নির্ভরশীল। শাটল ট্রেনের যাতায়াতকে আরও সহজ, আরামদায়ক ও স্বস্তিদায়ক করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যমান জটিলতা কাটিয়ে উঠতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। শাটল ট্রেনে যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি না থাকে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও অনুরোধ করেন উপাচার্য।

এ সময় চাকসুর প্রতিনিধিরা শাটল ট্রেনের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে প্রয়োজনীয় মতামত পেশ করেন। তারা বিশেষভাবে শাটল ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, ডাবল লাইন স্থাপন, রেললাইনের দুইপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বগি ও ইঞ্জিন সংখ্যা বাড়ানো, বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা কর্মী বৃদ্ধি, পাওয়ারকারের সুবিধা উন্নয়ন, পাথর নিক্ষেপ ও শিডিউল বিপর্যয় রোধ এবং স্টেশনগুলোর উন্নয়নসহ নানা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ শাটল ট্রেনের কোচ ও ইঞ্জিন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য সমস্যা সমাধানে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করে। তারা জানান, কিছু বিষয় অল্প সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলেও, কিছু বিষয় বাস্তবায়নে সময় লাগবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমানবিকতার পাঠ হয় যেখানে
পরবর্তী নিবন্ধবাবুল ধর