লোহাগাড়ায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে উপজেলা পরিষদের সামনে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের পূর্ব পাশে উচ্চ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক লাইনের নিচে প্রকাশ্যে চলছে এ স্থাপনা নির্মাণের কাজ।
জানা যায়, উপজেলা পরিষদের সামনে লোহাগাড়া মৌজায় সওজের প্রায় সাড়ে ৬ শতক জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ওই এলাকার জমির বর্তমান বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে। ইতোমধ্যে সেখানে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা পরিচালনা জন্য তিনটি গোলঘর ও একটি রান্নাঘর নির্মাণের কাজ চলছে। নির্মাণাধীন স্থাপনার উপর দিয়ে সঞ্চালন হয়েছে ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইন। ফলে উচ্চক্ষমতার বৈদ্যুতিক লাইনের নিচে এ ধরণের স্থাপনা নির্মাণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এছাড়া নির্মাণাধীন স্থাপনার পেছনের অংশে ৩৩ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনের নিচে একটি স্পোর্টস টার্ফও গড়ে উঠেছে। টার্ফের সামনের অংশেও সওজের জায়গা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের একেবারে লাগোয়া সওজের জায়গায় কাঠ ও বাঁশ দিয়ে দ্বিতল বিশিষ্ট একটি স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থাপনাটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। নির্মাণাধীন স্থাপনার উপর দিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন গেছে। ফলে উচ্চ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক লাইনের নিচে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণে দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় সওজের জায়গা দখল করে এসব স্থাপনা গড়ে উঠছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে থাকলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সরকারি জায়গা দখল করে নির্মাণাধীন স্থাপনা ও টার্ফ গড়ে উঠায় জননিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকারি সম্পত্তি বেদখল হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ–সহকারী প্রকৌশলী মো. শহীদুল আলম জানান, সওজের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। জায়গা জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তীতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।










