অবিলম্বে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ জনগণের ন্যায্য দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ ও লংমার্চ–পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চের সর্বশেষ কর্মসূচি হিসেবে লালদীঘি ময়দানে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সমাবেশের প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনের লক্ষ্যে গতকাল বুধবার লালদীঘি ময়দান পরিদর্শন করেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহানের নেতৃত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহছানুল্লাহ ভূঁইয়া, শাহজাহান চৌধুরী এমপি, নগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নগর সভাপতি এমদাদুল্লাহ সোহাইল, এনসিপি নগর আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, খাগড়াছড়ি জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন, বান্দরবান জেলা আমির মাওলানা এস এম আব্দুছ ছালাম আজাদ, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, নগর এলডিপি সেক্রেটারি আবু সাঈদ, নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, নগর জাগপা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল, এনসিপি নেতা নিজাম উদ্দিন, শাহেদ ইকবাল, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, জাহেদুল ইসলাম, জাফর আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।
এ সময় মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা–চট্টগ্রাম লংমার্চ ও লালদিঘী ময়দানের সমাবেশকে সফল করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জনগণের ন্যায্য দাবির পক্ষে এই কর্মসূচিতে চট্টগ্রামসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












