ঢাকার পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারের বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫২ মিনিটে রামিসাদের বাসায় যান। তার বাবা–মায়ের সাথে দেখা করে কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। প্রধানমন্ত্রী রামিসার পরিবারকে সান্ত্বনা দেন। রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। এসময় রামিসার মা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
প্রধানমন্ত্রী সেখানে ১৮ মিনিট অবস্থান করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার রেখার বাইরে সহপাঠী ও এলাকাবাসী হত্যার দ্রুত বিচার ও জড়িত ব্যক্তির ফাঁসির দাবি জানাতে থাকেন। খবর বিডিনিউজের।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাক্ষাতের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, রামিসার বাবার হাতে প্রধানমন্ত্রী অর্থ সহযোগিতা তুলে দেন। রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের লেখাপড়া ও ভবিষ্যৎ দায়িত্বভার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন বলে তার প্রেস উইং জানিয়েছে। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল আলম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে সাত বছরের রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে বলে পুলিশের ভাষ্য।












