রাঙামাটি বিসিক শিল্প নগরীতে চলমান ৫০ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন শিল্প মালিকরা। শিল্প মালিকদের প্রতিবাদের মুখে পাথরের মান পরীক্ষার জন্য ল্যাব পরীক্ষার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে কাজ বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
গতকাল শনিবার সকালে রাঙামাটিতে চলমান কাজ পরিদর্শনে আসেন বিসিক চট্টগ্রাম বিভাগের আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো. খালেদ মাহমুদের নেতৃত্বে বিসিক চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ একটি প্রতিনিধি দল। পরে সেখানে বিসিক শিল্প নগরী প্লট মালিকদের প্রতিবাদের মুখে মেসার্স বন্ধু ট্রেডার্সের চলমান আরসিসি সড়ক ঢালাই কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়া রাস্তা নির্মাণ কাজের জন্য আনা নিম্নমানের পাথরের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ল্যাব পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দেন বিসিকের আঞ্চলিক কর্মকর্তা খালেদ মাহমুদ।
বিসিবি শিল্প মালিকদের অভিযোগ, এক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিপাতেই বিসিকের সবগুলো প্লটেই কমবেশি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কিন্তু বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় নজর নেই বিসিক কর্মকর্তাদের। তারপরও ভালো একটি নালার উচ্চতা বাড়ানো হয় অপ্রয়োজনে, কিন্তু প্রয়োজনীয় নালাগুলো সংস্কার করা হয়নি। রাস্তা নির্মাণ কাজের জন্য আনা পাথর হাতে ভাঙা যাচ্ছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাঙামাটি বিসিকের প্লট মালিক তপন কান্তি পাল জানান, আমরা অনেক বলার পর একটি রাস্তার উন্নয়নে বরাদ্দ এসেছে। কিন্তু সে কাজটিও যদি নিম্নমানের পাথর দিয়ে হয় তাহলে আর লাভ কী হবে। বিসিক প্লট মালিক মো. ছগির আহমেদ জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এই নিম্নমানের পাথর দিয়ে কাজ করা যাবে না। বিসিক শিল্প নগরীতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুবই জরুরি।












