নগরীতে আজ বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন করতে র্যালি চলাকালে লালখান বাজার থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত ফ্লাইওভারটি বন্ধ থাকবে। একইসাথে নগরীতে সব ধরনের অস্ত্র বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। গতকাল মঙ্গলবার সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি তারিখে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে র্যালি ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণভাবে এসব কর্মসূচি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮–এর ২৮ ও ২৯ ধারা অনুযায়ী উপরোক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এদিকে আনজুমান–এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত মূল জশনে জুলুসের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট রোডম্যাপ। সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম ষোলশহরের আলমগীর খানকা–এ কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া থেকে র্যালিটি শুরু হবে। র্যালিটি বিবিরহাট হয়ে মুরাদপুর, সেখান থেকে ষোলশহর ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা, দামপাড়া, লালখান বাজার ও টাইগারপাস হয়ে পুনরায় একই পথে ফিরবে। পরে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা সংলগ্ন জুলুছ ময়দানে গিয়ে জমায়েত হবে।
পুলিশের এ আদেশ র্যালি শুরু হওয়ার সময় থেকে মাহফিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে গণবিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় এবার চট্টগ্রামে ৫৫তম এ জুলুস অনুষ্ঠিত হবে। আগের বছরের মত এবারও সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ জুলুসের নেতৃত্ব দেবেন। অতিথি হিসেবে থাকবেন সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও সৈয়দ মুহাম্মদ আকিব শাহ।
হিজরি সনের ১২ রবিউল আউয়াল মুসলমানদের মহানবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) পৃথিবীতে আগমন ও তিরোধানের দিন। এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করা হয়। বাংলাদেশে দিনটি সরকারি ছুটি।










