সর্বোচ্চ ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করতে পারবে মানি এঙচেঞ্জগুলো; কিনতে পারবে এক টাকা কমে; ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায়। বাজারে ডলারের দর নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই দর নির্ধারণ করে দিয়েছে দেশের এঙচেঞ্জগুলোর সংগঠন–মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)।
গতকাল সোমবার ঢাকার পুরানা পল্টনে আজাদ সেন্টারে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এই দর ঘোষণা করেন এমসিএবির সভাপতি এম এস জামান। বেঁধে দেওয়া দরের বাইরে কোনো একচেঞ্জ হাউজ ডলার কেনাবেচা করলে লাইসেন্স বাতিলসহ তাদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। খবর বিডিনিউজের।
এ বিষয়ে গতরাতে তিনি বলেন, বাজারের চলমান প্রেক্ষোপটে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিশ্বব্যাপী ডলারের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। আমাদের পাশের দেশ ভারতে বাড়ছে; পাকিস্তানে বাড়ছে। সব দেশেই বাড়ছে। তার প্রভাব আমদের এখানেও পড়বে; এটাই স্বাভাবিক। জোর করে আটকে রাখার সুযোগ নেই।
সামপ্রতিক বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দর বাড়তে বাড়তে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সায় উঠেছিল। পরে তা ১২২ টাকায় নামে। সোমবার (গতকাল) আবার বেড়ে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা ছাড়িয়েছে।
গত কয়েক দিন আন্তব্যাংক মুদ্রা বাজারে ডলারের দর কমলেও ব্যাংক কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে বাড়তে বাড়তে ১২৮ টাকা ছাড়িয়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সায় উঠেছিল। তবে সোমবার কমে ১২৭ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে এসেছে। এদিকে আন্তব্যাংক মুদ্রা বাজারে ডলারের দর কমে ১২২ টাকায় নামলেও গতকাল সোমবার তা ফের বেড়ে ১১২ টাকা ৫২ পয়সায় উঠেছে। দেশে অনুমোদিত মানি এঙচেঞ্জের সংখ্যা এখন ২২৮টি। এর মধ্যে ঢাকায় ১৬৫টি।












