নগরীর অগ্রণী ব্যাংক বহদ্দারহাট বিটি শাখা থেকে বৈদেশিক রেমিট্যান্সের ভুয়া কম্পিউটার জেনারেটেড রিসিট বা শিট তৈরি করে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির সাবেক এক কর্মকর্তাকে ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে আত্মসাৎকৃত টাকার সমপরিমাণ জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন– মো. ফজলে আজিম। তিনি খাগড়াছড়ির রামগড়ের মাস্টারপাড়া কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা এবং অগ্রণী ব্যাংক বহদ্দারহাট বিটি শাখার সাবেক কর্মকর্তা (সাবেক বরখাস্তকৃত)। রায়ের সময় তিনি কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন না। তিনি পলাতক। এ জন্য তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে। রায়ে এ মামলার অপর তিন আসামি রেজাত হোসেন, রাব্বি মুন্না ও রিপায়ন বড়ুয়াকে
খালাস দিয়েছেন বিচারক। আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারা এ খালাস পেয়েছেন জানিয়ে দুদক পিপি রেজাউল করিম রনি দৈনিক আজাদীকে বলেন, ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেছেন। পৃথক দুটি ধারায় আদালত ফজলে আজিমকে ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বলেও জানান পিপি। আদালতসূত্র জানায়, ২০১১ সালে বহদ্দারহাট বিটি শাখায় বৈদেশিক রেমিট্যান্সের ভুয়া কম্পিউটার জেনারেটেড রিসিট বা শিট তৈরি করে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।
আসামি ফজলে আজিম বৈদেশিক রেমিট্যান্সের ভুয়া কম্পিউটার জনোরেটেড রিসিট বা শিট তৈরি এবং সেটি ব্যবহার করে নিজের নামে বা তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে পে–অর্ডার বা টিটি তৈরি করেছেন। পরবর্তীতে সেই টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় দুদকের তৎকালিন সহকারী পরিচালক জাফর আহমেদ ২০১৯ সালের ২০ মার্চ নগরীর চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে চার্জশিট দাখিল হলে ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।













