বৈশ্বিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) শিক্ষক কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি অভিনব অ্যান্টেনা এ্যারে কনফিগারেশন ক্রিয়েট করেছেন, যাকে বলা হয় পোলারিমেট্রিক মেটাসারফেস। এই শিক্ষকের তিনজন ছাত্র তার তত্ত্বাবধানে সাবমেরিনের সোনার ডিটেকশন প্রযুক্তির উপর গবেষণা করার জন্য বৈদেশিক তহবিল পেয়েছেন এবং একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
এই বিরল সাফল্যে আইডিয়া প্রদান ও প্রয়োগে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন আইআইইউসির ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ইদবান আলমজাদেহ। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠিন পরিবেশে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এই গবেষক। দেশটির দুটি শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
আধুনিক বেতার প্রযুক্তির বিস্তৃত পরিসরে অ্যান্টেনা ও রাডার থেকে শুরু করে মেটাসারফেসের ভবিষ্যৎমুখী জগৎ পর্যন্ত বিস্তৃত ড. ইদবানের গবেষণার পরিধি। বর্তমানে তিনি প্রায়োগিক তড়িৎচুম্বকবিদ্যা ও সাবমেরিন প্রযুক্তিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পরিচালনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত প্রকৌশল গবেষক হলেও বিশেষ অনুরোধে আইআইইউসিতে অধ্যাপনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।
আলমজাদেহের শিক্ষার্থী আইআইইউসির ছাত্র সাহেদ সম্প্রতি আইইইই অ্যান্টেনাস অ্যান্ড প্রপাগেশন সোসাইটির (এপি–এস) মর্যাদাপূর্ণ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রতি বছর সমগ্র বিশ্ব থেকে মাত্র ৩৫ জন শিক্ষার্থী এই সম্মানের জন্য বাছাই হন। এ বছর সেই তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে আছেন সাহেদ। তার অপর দুই ছাত্র মুশফিক ও আলী কায়সারের পোলারিমেট্রিক সংস্করণ নিয়ে সাফল্য দেখিয়েছেন। ড. ইদবানের নিরলস প্রচেষ্টায় আইইইই পুরস্কার, আন্তর্জাতিক অনুদান আদায়, মর্যাদাপূর্ণ মার্কিন সম্মেলনে আমন্ত্রণ, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে কিউএস ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং এবং টাইমন হায়ার এডুকেশনে অন্তর্ভুক্ত করা, প্রসিদ্ধ কিউওয়ান জার্নালে একাধিক গবেষণাপত্র ছাপানো ইত্যাদি বিশেষ মর্যাদা এনে দিয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।









