বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

মেসিদের শেষ ৭ মিনিটের ঝড় সামলাতে পারেনি ইংল্যান্ড

| বৃহস্পতিবার , ১৬ জুলাই, ২০২৬ at ৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ

আবার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন! এবার শেষ ৭ মিনিটের ঝড়। আর তাতেই ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকার পর জোড়া গোল আর্জেন্টিনার। আটলান্টার মার্সিডিজবেঞ্জ স্টেডিয়ামে গতকাল রাতে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে ২১ গোলে জিতল আর্জেন্টিনা।

অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সমতা টানেন এন্সো ফের্নান্দেস। আর শেষ সময়ে ব্যবধান গড়ে দেন লাউতারো মার্তিনেস। দু’টি গোলই এল মেসির পাস থেকে। আর তাতেই পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। সেখানে তাদের সামনে স্পেন। বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখতে পারলে আর্জেন্টিনা হবে ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল, যারা টানা দুটি বিশ্বকাপ জেতার কীর্তি গড়বে।

গতকালের ম্যাচ শুধু ফুটবলের লড়াই ছিল না। এই ম্যাচ ছিল ৬০ বছর আগে যা শুরু হয়েছিল, সেই লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার যুদ্ধ। এর আগে মারাদোনা জোড়া গোল করেছিলেন। আর গতকাল মেসি জোড়া অ্যাসিস্ট করলেন। লড়াই শুধু ফুটবলারদের ছিল না, লড়াই ছিল দু’দলের কোচেরও। প্রথমার্ধে স্কালোনির পরিকল্পনা দেখে মনে হল, গোল করতে নয়, হ্যারি কেনদের থামাতে নেমেছে আর্জেন্টিনা। পর পর ফাউল। প্রথমার্ধে ১৯টি ফাউল হয়। ১২টি আর্জেন্টিনার। সাতটি ইংল্যান্ডের। মাঝে মাঝেই খেলা থামছিল। ধাক্কাধাক্কি করছিলেন দু’দলের ফুটবলারেরা। সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন রেফারি। তিনিও হয়তো চাইছিলেন তাড়াতাড়ি বিরতি নিতে। তাই এত ফাউলের পরেও মাত্র ৩ মিনিট সংযুক্তি সময় দেওয়া হল।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলে গেল খেলা। আর্জেন্টিনাকে আক্রমণে উঠতে দেখা গেল। আর তাতে জায়গা পেয়ে গেল ইংল্যান্ড। তাতেই গোল। ডান প্রান্ত ধরে উঠে রিস জেমসের ক্রসে গোল করলেন অ্যান্থনি গর্ডন। পিছিয়ে পড়ে বেরিয়ে এল আর্জেন্টিনার আসল খেলা। খোলস ছেড়ে বেরাল তারা। কারণ, গোল করা ছাড়া আর উপায় ছিল না। সেখানেই দুই কোচের দুই চালে খেলা ঘুরে গেল। যেখানে স্কালোনি একের পর এক আক্রমণ ভাগে ফুটবলার নামালেন সেখানেই টমাস টুখেল রক্ষণাত্মক নীতিতে চলে গেলেন। আর তাতেই সাফল্য পায় আর্জেন্টিনা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধডিডিএন কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮
পরবর্তী নিবন্ধফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে জাতীয় ঐক্য রয়েছে