বায়েজিদের সাবেক ওসি, ৭ এসআই ও ৬ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

চাঁদা না দেয়ায় মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

আজাদী প্রতিবেদন | শুক্রবার , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ at ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ

চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসানো হয়েছে, এমন অভিযোগে বায়েজিদ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান, ৭জন এসআই, ৬জন এএসআই ও তাদের এক সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এ মো. রুবেল নামের এক যুবক মামলাটি করেন।
৭ এসআই হলেন, মো. মনিরুল ইসলাম, আজাহার ইসলাম আজাহার, মো. রবিউল ইসলাম, কে এম নাজিবুল ইসলাম তানভীর, কাজী মো. তানভীরুল আজম, বশির গাজী ও আসাদুর রহমান। ৬ এএসআই হলেন, শাহাদাত, সৈয়দ আবুল হাশেম, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. আব্দুল মালেক, লিটন শীল ও রবিউল।
অপরজন হলেন, মো. শাহজাহান সোর্স প্রকাশ আকাশ। বাদীর আইনজীবী আজিজুল হক আদিল মামলা দায়েরের বিষয়টি আজাদীকে নিশ্চিত করে বলেন, আদালত আমার মক্কেলের মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিম্নে নন- এমন কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতেও আদেশ দেয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, গত বছরের নভেম্বরে আমার মক্কেলের সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে সম্পত্তিতে থাকতে হলে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলা হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করে অভিযুক্তরা।
একপর্যায়ে বাদীকে ধরে নিয়ে গিয়ে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসানো হয়। দীর্ঘদিন কারাগারে থেকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর জামিনে বের হন ভুক্তভোগী মো. রুবেল। আইনজীবী আদিল বলেন, আমার মক্কেলের সাথে তারা অন্যায় করেছেন, যার জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি। আদালত তা বুঝতেও পেরেছেন। যার জন্য পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আশা করছি, তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া যাবে।