জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) তাদের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাফুফেকে তিনটি স্টেডিয়াম দিচ্ছে। স্টেডিয়ামগুলো হচ্ছে–কমলাপুর স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম। গত সেপ্টেম্বরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ৮টি জেলা স্টেডিয়ামকে ২৫ বছরের জন্য বাফুফের অনুকূলে বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে এনএসসি এখন বাফুফেকে তিনটি স্টেডিয়াম দিচ্ছে–কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম। ২২ বছরের জন্য এ স্টেডিয়ামগুলো দেয়া হবে। এনএসসির পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান গতকাল বলেন, ‘কমলাপুর, চট্টগ্রাম আর সিলেট স্টেডিয়াম বাফুফেকে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২২ বছরের জন্য দেওয়া হবে। চুক্তির খসড়া বাফুফেকে পাঠানো হয়েছে। বাফুফেও তাদের মতামত পাঠিয়েছে। তিনটি স্টেডিয়াম বাফুফেকে দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা দ্রুতই সম্পন্ন করা হবে।’ বাফুফেকে দেওয়া আগের বরাদ্দের তালিকায় ছিল নীলফামারী, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, মুন্সিগঞ্জ, রাজশাহী, নোয়াখালী, কঙবাজার ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম। অবশ্য গত বছর জানুয়ারিতে প্রথমবার বর্তমান চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম বাফুফেকে ২৫ বছরের জন্য বরাদ্দের ঘোষণা দেয় এনএসসি। কিন্তু স্থানীয় ক্রীড়াবিদদের প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম দখলে নিতে পারেনি বাফুফে। এখন আবার নতুন করে স্টেডিয়ামটি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। নতুন বরাদ্দের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ঢুকেছে কমলাপুরও। এমনিতে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কমলাপুর স্টেডিয়ামে বাফুফের অধীন শুধুই ফুটবল হয়। এই স্টেডিয়াম বাফুফেকে নতুন করে দেওয়া না– দেওয়ার তাই কোনো বিশেষত্ব নেই। তবু সরকার নতুনভাবে স্টেডিয়ামটি বাফুফেকে বরাদ্দ দিচ্ছে। কমলাপুরে অন্য কোনো খেলা না হওয়ায় স্টেডিয়ামটি ব্যবহার নিয়ে আর কোনো ফেডারেশনের সঙ্গে টানাপোড়েন নেই বাফুফের, যেটি আছে জেলা স্টেডিয়ামগুলোর ক্ষেত্রে। জেলা স্টেডিয়ামে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, কাবাডি, অ্যাথলেটিকসসহ অন্যান্য খেলাও হয়। স্টেডিয়ামগুলো শুধু ফুটবলকে দেওয়া হলে তাই সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা থাকেই। এদিকে এনএসসি বলেছে ক্রিকেট ছাড়া অন্য খেলা স্টেডিয়ামগুলোতে আয়োজন করা যাবে। এনএসসির রক্ষণাবেক্ষণের শর্ত মেনে ফিফার অনুদানে তিনটি স্টেডিয়াম আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে বাফুফে।












