বগুড়াসহ আরো সাত জেলায় ই–বেইলবন্ড (অনলাইনে জামিননামা দাখিল) কার্যক্রম চালু হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে বগুড়া জেলা আদালতে ই–বেইলবন্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ই–বেইলবন্ড হচ্ছে আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর জামিননামা সরাসরি ও দ্রুততম সময়ে কারাগারে পাঠানোর অনলাইন সিস্টেম। বিডিনিউজ জানায়, জামিনের পর কারামুক্তিতে যে দীর্ঘসূত্রিতা রয়েছে সেই দুর্ভোগ ‘ই–বেইলবন্ড’র মাধ্যমে নিরসন হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘শুধু প্রযুক্তির উন্নয়নই নয়; আমরা মানসিকতারও উন্নয়ন চাই। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বিচার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রী, পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা কর্মকর্তা এবং একজন সাধারণ নাগরিকের মধ্যে কোনো তফাৎ থাকবে না। যে বিচার ব্যবস্থা থাকবে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অনবদ্য পাদপীঠ। আমরা বিশ্বাস করি, অ্যাকসেস টু জাস্টিস ফর অল । ন্যায়বিচার কোনো দয়া বা করুণার বিষয় নয়। এটি প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। আজকের এই ডিজিটাল উদ্যোগ সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি বিশাল মাইলফলক।’ বগুড়া ছাড়াও ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়ায় এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। জামিন প্রক্রিয়া সহজ করা, দুর্নীতি কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি দূর করতে সরকার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
এর আগে ৯টি জেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল। ই–বেইলবন্ড পদ্ধতিতে বিচারকের স্বাক্ষরের পর বেইল বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কারাগারে পৌঁছে যাবে। ফলে আটক ব্যক্তি কয়েক ঘণ্টা অথবা সর্বোচ্চ এক দিনের মধ্যেই মুক্তি পাবেন। মধ্যবর্তী অপ্রয়োজনীয় ধাপগুলো বিলুপ্ত হবে। তা ছাড়া কে কখন স্বাক্ষর করছেন, তা ডেটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে।














