তিন বছরের বিরতির পর নেওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রস্তুতের কাজ শেষ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে তা আগামী বৃহস্পতিবার প্রকাশ করতে চায় অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের উপ–পরিচালক (সংস্থাপন) এএসএম সিরাজুদ্দোহা বলেন, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এখনও মেলেনি। আমরা ফল তৈরির কাজ গুছিয়ে ফেলেছি। অনুমোদন পেলে ফল প্রকাশের দিন চূড়ান্ত করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ইতোমধ্যে আইপিইএমআইএস লাইভ সার্ভারে ফল দেখার লিংকও উন্মুক্ত করেছে। খবর বিডিনিউজের।
অন্তর্বর্তী সরকার তিন বছর পর ২০২৫ সালে আবার বৃত্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা গত ১৪ এপ্রিল শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল শেষ হয়। এর আগে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রাথমিকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হত। পরের বছর তা বন্ধ করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু করা হয়। পরে ২০২২ সালে ডিসেম্বরে ফের ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়। এবার প্রাথমিকের বৃত্তির জন্য মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হবে। পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পাবে শিক্ষার্থীরা। ট্যালেন্টপুলে বা মেধাবৃত্তি পাবে সংখ্যা ৩৩ হাজার। আর সাধারণ বৃত্তি পাবে সাড়ে ৪৯ হাজার। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ৩০০ টাকা পাবে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ২২৫ টাকা পাবে।









