আপিল বিভাগের রায়ের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য থাকা ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা বলেছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছে আজকের মধ্যেই চাহিদা পাঠানো হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি দশম গ্রেডের। তাই পদে পদোন্নতির ফাইল পিএসসিতে পাঠাতে হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বর্তমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৮০ শতাংশ নিয়োগ হয় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে। আর সরাসরি নিয়োগ হয় ২০ শতাংশ। এদিন জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি নিয়ে জটিলতার অবসান ঘটেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে। এর ফলে দেশের সাড়ে ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আইনি বাধা দূর হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
ব্রিফিংয়ে এ বিষয়টি তুলে ধরে এহছানুল হক মিলন বলেন, উচ্চ আদালতের রায়ের পর শূন্য থাকা ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়ার পর সহকারী শিক্ষকের এই পদগুলোও শূন্য হবে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য আছে ২ হাজার ২০০ এর বেশি। অর্থাৎ প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পর সহকারী শিক্ষকের ৩৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির পর অবিলম্বে তারা ৩৮ হাজার ৪৩৩টি সহকারী শিক্ষকও নিয়োগ দিতে পারবেন। এটি একটি সুখবর।











