প্রচারণা সত্ত্বেও হালদায় কোরবানির বর্জ্য

পরিবেশ অধিদপ্তরের পানির নমুনা সংগ্রহ

কেশব কুমার বড়ুয়া, হাটহাজারী | সোমবার , ১ জুন, ২০২৬ at ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ

কোরবানির বর্জ্য থেকে হালদা নদীকে বাঁচাতে কোরবানির আগে থেকেই প্রচারণা চালানো হয়। কোরবানির পর নদীতে বর্জ্য দেখতে পান অনেকে। বর্জ্যের কারণে হালদা নদী দূষণের বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দেন। এরপর পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় গত শনিবার সকাল থেকে হালদা নদী ও নদী সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে জোয়ারের পানির মাধ্যমে কর্ণফুলী নদী থেকে আসা কোরবানির বর্জ্য হালদা নদীতে প্রবেশের আলামত দেখতে পায়।

এ সময় নদীর মদুনাঘাট ব্রিজ, গড়দুয়ারা, ও সত্তারঘাট ব্রিজ থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ পানি গবেষণাগারে বিশ্লেষণ করা হবে। বিশ্লেষণের ফলাফল পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে গণমাধ্যম জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

কোরবানির বর্জ্যের মাধ্যমে হালদা নদী ও নদী সংলগ্ন খাল, নালার দূষণ রোধে বিগত ১২ মে থেকে ঈদুল আযহার আগের দিন পর্যন্ত হালদা নদী সংলগ্ন এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর জনসচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম গ্রহণ করে। ভবিষ্যতেও হালদা নদী ও নদী সংলগ্ন এলাকায় মনিটরিং ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।

হালদা গবেষক ড. মনজুরুল কিবরিয়া জানান, কোরবানির পর হালদা নদীর বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য দেখে সচেতন মহল সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে জেনে গত শনিবার নদীর মদুনাঘাট ব্রিজ, গড়দুয়ারা ও সত্তারঘাট ব্রিজ এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে বর্জ্যের বিষয়ে জেনে নদীর পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান। পরিবেশ অধিদপ্তরের সচেতনতা কর্মসূচির পরও হালদা নদী ও নদীর সাথে সংযুক্ত খাল ও ছড়ায় কোরবানির বর্জ্য ফেলে নদী দূষণ করছে। বর্জ্য ফেলা দুঃখজনক। মৎস্য সম্পদের খনি হালদা নদী রক্ষায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপটিয়ায় কিন্ডারগার্টেন স্কুল স্বর্ণপদক মেধাবৃত্তি পরীক্ষার সনদ বিতরণ
পরবর্তী নিবন্ধচসিক-বিদ্যানন্দের ভাগাভাগির ঈদ উৎসব