কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রাসহ বিপুল স্বর্ণালংকার মিলেছে। গতকাল শনিবার সকাল ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গণনা শেষে পাওয়া অর্থ মসজিদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয় বলে জানান কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন। এই গণনার আগে পাগলা মসজিদের তহবিলে মোট ১১৪ কোটি ১৩ লাখ সাত হাজার ৩৫২ টাকা জমা রয়েছে বলে জানান তিনি। খবর বিডিনিউজের।
এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খানের উপস্থিতিতে মসজিদের লোহার দানসিন্দুকগুলি খোলা হয়। সবশেষ টাকা গণনার ছয় মাস পর এই দানবাক্স খোলা হল। ১৩টি দানসিন্দুক খুলে পাওয়া যায় ৪৩ বস্তা টাকা। এ সময় বিপুল পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবশেষ ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর তিন মাস ২৭ দিন পর এ মসজিদের দানসিন্দুকের ৩৫ বস্তা টাকা গণনা করে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়া পাওয়া যায় বিপুল স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রা। এদিন সকালে দানবাক্স খোলার পর জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, বরাবরের মত এবারও ৪৩ বস্তা টাকা ছাড়াও স্বর্ণ, রুপা, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে এসব দান সিন্ধুকে। মসজিদের দানের অর্থ মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ব্যয় নির্বাহ ছাড়াও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়।












