পদ্মা মেঘনা সাংগু হালদাকে দেখা যাবে আজ থেকে

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা

আজাদী প্রতিবেদন | সোমবার , ২৯ আগস্ট, ২০২২ at ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম নেয়া বিরল প্রজাতির চারটি সাদা বাঘের শাবককে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে আজ। পদ্মা, মেঘনা, সাংগু ও হালদা নামের এই চারটি শাবককে প্রায় এক মাস ধরে বিশেষ যত্নে বড় করা হয়। রাজ-পরী বাঘ দম্পতির ঘরে জন্ম নেয়া শাবকগুলো সুস্থ আছে।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, গত ৩১ জুলাই জন্ম নেয়া চারটি বাঘের বাচ্চাকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর পাশাপাশি বিশেষ যত্নে বড় করা হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সময় মা বাঘ বাচ্চাদের দুধ না দেয়ার ঘটনা ঘটলেও এই চারটি বাচ্চার ক্ষেত্রে তা হয়নি। চারটি বাঘের বাচ্চা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠেছে। সোমবার বিকেল ৪টা থেকে বাঘের বাচ্চাগুলো দর্শনার্থীদের দেখতে দেয়া হবে। এগুলো এখন লাফালাফি ও খেলাধুলা করছে।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বর্তমানে বাঘের সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে পাঁচটি বিরল প্রজাতির সাদা বাঘ। দেশের আর কোনো চিড়িয়াখানা বা সাফারি পার্কে এত বাঘ নেই। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দীর্ঘদিন বাঘ ছিল না। ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ১১ ও ৯ মাস বয়সী একটি বাঘ ও একটি বাঘিনী কিনে আনা হয়েছিল চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার জন্য। ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ওই বাঘ দম্পতি তিনটি শাবকের জন্ম দিয়েছিল। একদিন পর একটি শাবক মারা গেলেও দুটি বড় হয়ে ওঠে। এই দুটি বাঘের একটি কমলা-কালো ডোরা কাটা, অন্যটি সাদা-কালো। শুভ্রা নামের সাদা-কালো বাঘটি দেশের প্রথম সাদা বাঘ, যা বিরল প্রজাতির। ২০১৬ সালে আনা বাঘের বংশধররাই চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে বাঘ সমৃদ্ধ চিড়িয়াখানায় পরিণত করেছে।