সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া বান্ধব সরকার। চট্টগ্রাম শহরের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তুলবো। যাতে কিশোর যুবকরা ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়া কার্ডের প্রবর্তন করেছেন। ক্রীড়া হলে পেশা পরিবার পাবে ভরসা। ফলে কোন ভালো খেলোয়াড়কে অসময়ে ঝড়ে পড়তে হবে না। চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গন খুবই সমৃদ্ধ। আমরা সকলে মিলে কাজ করলে সেটি আরও এগিয়ে যাবে। গতকাল সোমবার বিকেলে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি ক্রীড়া উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উৎসবমুখর পরিবেশ এবং দর্শকদের উৎসাহী উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আবুল হাশেম বক্করের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে গতকাল শুরু হয় চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি ক্রীড়া উৎসব।
এ আয়োজনকে সামনে রেখে গতকাল দুপুর থেকে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে আসতে থাকে ক্রীড়ামোদি মানুষরা। সাথে উপস্থিত হন ক্রীড়া সংগঠকরা। ফলে অনেকদিন পর যেন প্রাণ ফিরে পায় চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া স্টেডিয়াম, সিজেকেএস অনুশীলন মাঠ। শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কাবাডি উপ কমিটির সম্পাদক মো. জাহেদ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিজেকেএস কাউন্সিলর আবুল হাশেম বক্কর। বিশেষ অতিথি ছিলেন শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা মো. শফিউল আলম ও শহীদ তানভীরের ভাই খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। বক্তব্য রাখেন সিজেকেএস ক্লাব সমিতির সহ সভাপতি আমিনুল ইসলাম।
আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝিমিয়ে পড়া চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনকে আমরা আবার জাগিয়ে তুলতে চাই। যাদের আত্মত্যাগে আমরা গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি সেই চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এই ক্রীড়া উৎসব। এক সময় স্টার সামার ক্রিকেট দিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ভালো ভালো ক্রিকেটার উঠে এসেছে। যারা পরবর্তীতে জাতীয় দলে নেতৃত্ব দিয়েছে। একইভাবে এই উৎসবের মাধ্যমে প্রত্যেকটি ইভেন্ট থেকে ভালো ও দক্ষ খেলোয়াড় উঠে আসবে। এই আয়োজন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।
উদ্বোধনী দিনের আয়োজন ছিল কাবাডি ও ভলিবল ইভেন্ট। কাবাডি (পুরুষ) প্রথম খেলায় এস এ ফ্যামিলি স্পোর্টস ক্লাব কর্ণফুলী ক্লাবকে পরাজিত করে। অন্যদিকে ভলিবল (মহিলা) সিটি করপোরেশন ৩–০ সেটে হালিশহর লাকী ক্লাবকে পরাজিত করে এবং গোসাইলডাঙ্গা যুবক গোষ্ঠী ২–১ সেটে কল্লোল সংঘ গ্রিনকে পরাজিত করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিজেকেএস ক্লাব সমিতির সহ সভাপতি মাহবুবুল আলম, সিজেকেএস কাউন্সিলর আ ন ম ওয়াহিদ দুলাল, প্রবীন ঘোষ, আকতারুজ্জামান, নাসির মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, হারুনুর রশিদ,জিএম হাসান, সরোয়ার মনি, কাজী জসীম উদ্দীন, আলী হাসান রাজু, ইয়াছিন আরাফাত পাবলু এনামুল হক, সায়লা আবেদীন রীমা, সাইফুল আলম খান, আজাদুর রহমান, মো. হারুন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুর রহমান স্বপন,চট্টগ্রাম জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক এসোসিয়েশনের সদস্য বিপ্লব দে পার্থ, মনোয়ারা বেগম মনি, ফাতেমা বাদশা, আফরোজা খানম, দিদারুল আলম চৌধুরী, আজম খান, মোশাররফ হোসেন লিটন, নুর জাহেদ বাবলু প্রমুখ।












