পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক রাজধানীর পাশাপাশি বাণিজ্যিক রাজধানীর ধারণা বাস্তবায়ন করে নিজেদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। প্রতিবেশী দেশ থেকে শুরু করে উন্নত দেশগুলোও বাণিজ্যিক রাজধানী কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করেছে। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগের বয়স এখন ২৩ বছর। ২০০৩ সালের ৬ জানুয়ারি তৎকালীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ১৬টি সুপারিশসহ চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। একই মাসের ২২ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অনুমোদিত সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়নি। উল্টো চট্টগ্রাম থেকে বিনিয়োগ বোর্ডের কার্যালয়সহ অনেক কিছু গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে। কাগজে–কলমে বাণিজ্যিক রাজধানীর স্বীকৃতি থাকলেও বাস্তবে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশ এখনো ঢাকাকেন্দ্রিক। অথচ দেশের অর্থনীতির স্বার্থে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী–শিল্পপতিরা।
সূত্র জানিয়েছে, প্রতিবেশি দেশ ভারতের রাজধানী দিল্লি, বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই। চীনের রাজধানী বেইজিং, বাণিজ্যিক রাজধানী সাংহাই। অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা, বাণিজ্যিক রাজধানী সিডনি। কানাডার রাজধানী অটোয়া, বাণিজ্যিক রাজধানী টরন্টো। বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন আর বাণিজ্যিক রাজধানী নিউ ইয়র্ক। এভাবে পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ নিজেদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে বাণিজ্যিক রাজধানী কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করেছে।
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২৩ বছর আগে। ২০০৩ সালের ৬ জানুয়ারি তৎকালীন বিএনপি সরকার চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করেছিল। প্রস্তাবে ব্যাংক বা বিমা কোম্পানির একটি সদর দপ্তর চট্টগ্রামে স্থানান্তর, সরকারি বিভিন্ন আঞ্চলিক দপ্তরের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বন্দর, যোগাযোগ, শিক্ষা, প্রশাসন ও পর্যটন খাতকে শক্তিশালী করার মতো গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ছিল। কিন্তু দুই দশকের বেশি সময়েও সেই সিদ্ধান্তের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি।
সময়ের সঙ্গে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এখন বছরে ৩৫ লাখের বেশি টিইইউএস কন্টেনার হ্যান্ডলিং করছে। ২৫–২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর ৩৫ লাখ ৩১ হাজার ১১৮ টিইইউএস কন্টেনার, ১৩ কোটি ৮০ লাখ ৭২ হাজার ৮২৬ টন কার্গো এবং ৪ হাজার ৩৩৬টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করেছে। তিন ক্ষেত্রেই এটি বন্দরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। প্রতি বছর বন্দরের কার্যক্রমে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম ইপিজেডও দেশের রপ্তানি অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ইপিজেডে এ পর্যন্ত ৪৭.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে এবং প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম ইপিজেডটি আজও রপ্তানিমুখী শিল্পায়নের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
দেশের ৯২ শতাংশ আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দেশের অর্থনীতি যত বাড়ছে, চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপও তত বাড়ছে। ফলে বন্দরকে কেন্দ্র করে শুধু টার্মিনাল সম্প্রসারণ করলেই হবে না, এর চারপাশে ব্যাংকিং, লজিস্টিকস, গুদাম, পরিবহন, শিপিং, বিমা, কাস্টমস এবং শিল্পের একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে হবে।
বিদ্যমান বাস্তবতায় চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করা এখন আর শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দাবি হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই মন্তব্য করে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, এটি দেশের অর্থনীতির কাঠামো পুনর্বিন্যাসের একটি যৌক্তিক দাবি। কারণ বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম। আমদানি করা কাঁচামাল, শিল্পের যন্ত্রপাতি, জ্বালানি ও ভোগ্যপণ্য দেশের অর্থনীতিতে প্রবেশ করছে এই বন্দর দিয়ে। আবার তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্য এখান থেকেই বিশ্ববাজারে যাচ্ছে। কিন্তু দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো এখনো অনেকাংশে ঢাকাকেন্দ্রিক। চট্টগ্রামে কারখানা, বন্দর ও ব্যবসা থাকলেও ব্যাংকিং, বিমা, কর, কাস্টমস, করপোরেট সিদ্ধান্ত, সরকারি অনুমোদন ও নীতিনির্ধারণের বড় অংশের জন্য ব্যবসায়ীদের ঢাকার ওপর নির্ভর করতে হয়, যা দেশের অর্থনীতির গতিশীলতার পথে অন্তরায়। এই ব্যবস্থার পরিবর্তনই হতে পারে প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানীর প্রথম কাজ।
তারা বলেন, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার অর্থ ঢাকার প্রশাসনিক গুরুত্ব কমানো নয়, কিংবা নতুন কোনো রাজনৈতিক রাজধানী তৈরি করা নয়। এর অর্থ হবে দেশের বাণিজ্য, শিল্প, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র চট্টগ্রামে গড়ে তোলা। একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মানের বন্দর, লজিস্টিকস ও শিপিং সেবা, কাস্টমস, ব্যাংক ও বিমা, কর ও বাণিজ্যিক আইনসেবা, করপোরেট সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সালিশ ও বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা, বিনিয়োগের ওয়ান স্টপ সার্ভিস, উন্নত রেল–সড়ক–নৌ যোগাযোগ এবং দক্ষ মানবসম্পদ।
‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে চট্টগ্রামকে এমন একটি শহরে রূপান্তর করতে হবে, যেখানে একজন দেশি–বিদেশি বিনিয়োগকারী কারখানা স্থাপন থেকে শুরু করে কাঁচামাল আমদানি, ব্যাংকিং, বীমা, কাস্টমস, উৎপাদন এবং পণ্য রপ্তানি, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা একই অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে পান।
চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আরো বড় করে তুলেছে বে টার্মিনাল প্রকল্প। বিশ্বব্যাংক ইতোমধ্যে বে টার্মিনালের অবকাঠামো উন্নয়নে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করেছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, প্রকল্পটি বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে, বন্দরের কার্যকারিতা উন্নত করবে এবং আমদানি–রপ্তানি ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে। বে টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের কন্টেনার ভলিউমের প্রায় ৩৬ শতাংশ পরিচালনার সক্ষমতা তৈরি হবে। বে টার্মিনাল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কাঠামো। বড় জাহাজ ভেড়ানোর সক্ষমতা, আধুনিক টার্মিনাল, উন্নত লজিস্টিকস এবং সড়ক–রেল সংযোগ সবকিছু মিলে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং ও লজিস্টিকস হাবে পরিণত করার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক শক্তির দ্বিতীয় বড় স্তম্ভ শিল্প। চট্টগ্রাম ইপিজেড, কর্ণফুলী ইপিজেড, কোরিয়ান ইপিজেড, মীরসরাইয়ের শিল্পনগরসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে শিল্পভিত্তি ক্রমে বিস্তৃত হচ্ছে। আনোয়ারার চায়না ইকোনমিক জোন এখন আর স্বপ্ন নয়, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে এখানে কারখানা উৎপাদনে যাবে। একই সাথে চট্টগ্রামে স্টিল, সিমেন্ট, পোশাক, জাহাজ নির্মাণ, রিফাইনারি, সার, বিদ্যুৎ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, চামড়া, জুতা, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম ক্রমে বিস্তৃত হচ্ছে।
বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোর বড় সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত ঢাকাকেন্দ্রিকতা। দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট সদর দপ্তর ও নীতিনির্ধারণী সংস্থার কেন্দ্র ঢাকায়। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশের ব্যবসা সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদের একদিকে চট্টগ্রামে কারখানা ও ব্যবসা পরিচালনা করতে হচ্ছে, অন্যদিকে সিদ্ধান্তের জন্য ঢাকায় যেতে হচ্ছে।
বাণিজ্যিক রাজধানীর কার্যকর কাঠামো তৈরি হলে এই ‘সিদ্ধান্তের দূরত্ব’ কমানো সম্ভব বলে মন্তব্য করে সূত্রগুলো বলেছে, প্রথম ধাপে বড় ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির করপোরেট ও বাণিজ্যিক ইউনিট চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা যেতে পারে। দ্বিতীয় ধাপে আন্তর্জাতিক শিপিং, লজিস্টিকস ও বিমা কোম্পানির আঞ্চলিক সদর দপ্তর স্থাপনে প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। তৃতীয় ধাপে বন্দর, কাস্টমস, কর, বিনিয়োগ ও শিল্পসংক্রান্ত সব সেবা একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা যেতে পারে।
২০০৩ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে যে বিষয়গুলো বলা হয়েছিল, তার অনেকগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করে সূত্র বলেছে, একটি ব্যাংক বা বিমা কোম্পানির সদর দপ্তর চট্টগ্রামে স্থানান্তরের উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সরকারি আঞ্চলিক দপ্তরের ক্ষমতা বৃদ্ধির সুপারিশ ছিল সেখানে।
দুই দশক পর এসে দেখা যাচ্ছে, চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক বাস্তবতা সেই সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয়তাকে বরং আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই এখন নতুন করে শুধু ‘চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা’ করার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন ২০০৩ সালের সিদ্ধান্তকে ২০২৬ সালের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন করে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা করা। তারা বলেন, প্রয়োজন ‘চট্টগ্রাম কমার্শিয়াল ক্যাপিটাল মাস্টার প্ল্যান’ হিসেবে একটি সমন্বিত উদ্যোগ।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, রেলওয়ে, সড়ক ও জনপথ, কাস্টমস, বেপজা, বেজা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনাকে একই ছাতার নিচে আনার উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমেই বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চট্টগ্রামকে প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী করতে হলে নগর ব্যবস্থাপনাকেও ঢেলে সাজাতে হবে। কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক শহর কেবল বন্দর দিয়ে তৈরি হয় না। একটি কার্যকর নগর ব্যবস্থাপনা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করা হলে এর সুফল শুধু চট্টগ্রামবাসী পাবেন না, জাতীয় অর্থনীতি এর প্রধান সুবিধাভোগী হবে উল্লেখ করে একাধিক ব্যবসায়ী নেতা বলেছেন, এর মাধ্যমে ব্যবসার সময় ও ব্যয় কমবে, বন্দরের সঙ্গে শিল্পের সরাসরি সংযোগ বাড়বে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এক জায়গায় প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া সহজ হবে, ঢাকার ওপর জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক চাপ কমবে, চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে, দেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়বে, বন্দর, লজিস্টিকস, শিপিং, ব্যাংকিং, বিমা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে ঘিরে নতুন সেবা অর্থনীতি গড়ে উঠবে এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক সেতুবন্ধন হিসেবে আরো শক্তিশালী অবস্থান নিতে পারবে।
তারা বলেন, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার অর্থ চট্টগ্রামকে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া নয়। বরং এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি যেখানে বাস্তবে সবচেয়ে বেশি সক্রিয়, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ও অবকাঠামোর একটি বড় অংশকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের নতুন দুয়ার খুলে যাবে।












