ভাদ্রের মধ্যদুপুরে কড়া রোদে যখন
তাঁর কাচারিবাড়িতে পৌঁছলাম,
তখন মনে হলো তিনি কবিতা কিংবা
ছোটোগল্প রচনায় মস্ত ব্যস্ত আছেন।
তন্ন তন্ন করে তাঁকে খুঁজে বেড়ালাম,
সেদিন দুপুর গড়িয়ে শেষ বিকেল পর্যন্ত।
সশরীরে দেখা হলো না তাঁর, তবে স্মৃতির
বৃক্ষে, ফুলবাগানে, নিত্যব্যবহার্য আসবাবপত্রে,
সৃষ্টিকর্মের পরতে পরতে খুঁজে পেয়েছি তাঁকে।
সাক্ষাৎ পেয়েছি তাঁর প্রিয় পোস্ট মাস্টার মশাইকে
শুনেছি ঢং ঢং আওয়াজে ছুটির ঘণ্টা।
বুঝেছি বিচ্ছেদের যন্ত্রণা কতো বড়ো, তবু বিচ্ছেদই
অনিবার্য যেন জীবনের শেষ পরিণতি।
আশেপাশে অতৃপ্ত মনে আবারও খুঁজে বেড়ালাম তাঁকে,
আশ্বস্ত হলাম— তিনি আছেন পদ্মা মেঘনা যমুনা
করতোয়ার তীরে উজান স্রোতে,
বাংলার জল ও মাটির সাথে মিশে,
তিনি আছেন আমাদের অলক্ষ্যে
নিশ্বাসে–প্রশ্বাসে সুরে ও স্বরে।
তিনি আছেন এবং থাকবেন
যতদিন বাংলা ও বাঙালি আছে ততদিন।








