জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর, নবীনগর, ওসমানের ঘোনাসহ বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের সংঘবদ্ধ হওয়ার সুযোগ রোধ এবং সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশ, বিজিবি, এসআরবি, এপিবিএনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় তিন শতাধিক সদস্যের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কিছু অপরাধী ও সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ হয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতে পারে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য অপরাধ ও নাশকতা প্রতিরোধে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সমন্বিত টহল জোরদার করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন পাহাড়ি ঘরবাড়ি ও স্থাপনা, আশপাশের পরিত্যক্ত স্থান এবং সন্দেহজনক এলাকায় তল্লাশি পরিচালনা করা হয়। এ সময় সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থান যাচাই–বাছাই করা হয়। অভিযানকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। কোনো অপরাধ বা সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের আহ্বান জানানো হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, সমন্বিত এ অভিযানের মাধ্যমে অপরাধীদের সংঘবদ্ধ হওয়ার সুযোগ প্রতিরোধ, সম্ভাব্য নাশকতার প্রস্তুতি নস্যাৎ এবং অপরাধ সংঘটনের অনুকূল পরিবেশ রোধের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জননিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জঙ্গল সলিমপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্গম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এসময় পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।













