চলছে দেখাদেখি আর মোবাইল ফোনে ছবি তোলা

মইজ্জ্যারটেক কোরবানির পশুর হাট

মো. মহিউদ্দিন, কর্ণফুলী | শনিবার , ২৩ মে, ২০২৬ at ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। তবে এখনো চিরচেনা সেই পরিবেশ তৈরি হয়নি। চট্টগ্রাম ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বেপারীরা হাটে আসতে শুরু করলেও এখনো বিক্রি শুরু হয়নি। চলছে দেখাদেখি আর মোবাইল ফোনে ছবি তোলা। এ দৃশ্য উপজেলার মইজ্জ্যারটেক পশুর হাটের। গত (১৯ মে) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে মইজ্জ্যারটেক কোরবানির পশুর হাটের বেচাকেনা।

মইজ্জ্যারটেকে আসা বেপারী ও ইজারাদারেরা জানান, এবার গরুর দাম তুলনামূলক। এখন পর্যন্ত হাটে আসা গরুর মধ্যে দেশি জাতের গরুর সংখ্যা বেশি। রবিও সোমবারের মধ্যে হাটে পশু বেচাকেনা বাড়বে বলে জানান। মইজ্জ্যারটেক বাজারে এসেছেন বেপারী মোহম্মদ আবদুল মোনাফ। তিনি বলেন, এই কয়েকদিনে তেমন গরু বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। অধিকাংশরাই হাটে আসছেন দরদাম করতেই। এখন দেখে শুনে আগামী রবিসোমবার থেকে কেনা শুরু করবেন তারা। চট্টগ্রামের ক্রেতারা একটু দেরিতেই গরু কেনেন। কারণ পশু রাখার মত জায়গা থাকেন না। এদিকে প্রতি বছর টানা ১০ দিনের মইজ্জ্যারটেক ছাড়াও সাপ্তাহিক দুইদিন উপজেলার কলেজ বাজার, ফকিরনীর হাট পশুর বাজার এবং ফাজিল খার হাট বাজারগুলো জমজমাট হয়ে থাকে।

যদিও সাপ্তাহিক দুই দিনের ইজারায় ফকিরনীর হাট বাজার জেলা প্রশাসন থেকে ৫ দিনের বাজার বসার অনুমতি পাওয়ার উপজেলা জুড়ে চলছে বিতর্ক। মইজ্জ্যারটেক বাজারে ইজারাদার জসিম উদ্দিন জুয়েল বলেন, মইজ্জ্যারটেক পশুর বাজার প্রায় ৪ কোটি টাকার ইজারায় পরিচালিত হচ্ছে। একই এলাকায় তুলনামূলক কম মূল্যের একটি বাজার অতিরিক্ত দিন পরিচালিত হলে বড় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। অন্যদিকে ফকিরনীর হাট বাজারের ইজারাদার ইমরান সেলিম দাবি করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্বনির্ধারিত স্থান না পাওয়ায় তারা বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ভাড়া নিয়ে হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। তার ভাষ্য, অতিরিক্ত সময় না পেলে আর্থিক লোকসানের ঝুঁকি রয়েছে।

এ বিষয়ে কর্ণফুলী ইউএনও সজীব কান্তি রুদ্র বলেন, জেলা প্রশাসনের অনুমতি অনুযায়ী হাট পরিচালনা করা হবে। তবে এতে আশপাশের বাজারের ইজারাদাররা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন এবং বিষয়টি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমোহরা এ ইউনিট বিএনপির উঠান বৈঠক
পরবর্তী নিবন্ধনারী শ্রমিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে