মাদক পাচার, সার চোরাচালানসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এবং একাধিক মামলার আসামি, বহুল আলোচিত কর্ণফুলীর বৈরাগের উত্তর বন্দর এলাকার আবুল কাসেম মধুর পুত্র ইফতিয়াল কাসেম চার্লি গত দুই বছর ধরে চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে ছিলেন। অবশেষে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ তিনি ধরা পড়লেন গাজীপুরে ভাওয়াল রিসোর্টে।
গাজীপুর জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে দেশি–বিদেশি অবৈধ মদ, বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যসহ চার্লির সাথে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের গতকাল আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও নগরীর খুলশী, পাঁচলাইশ এবং চান্দগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, চার্লি গত দুই বছর ধরে পলাতক ছিল। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক অভিযান চালিয়েও নাগাল পাওয়া যায়নি। অবশেষে গাজীপুর সদরের নলজানি এলাকায় অবস্থিত ভাওয়াল রিসোর্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত শুক্রবার রাতে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে অভিযান চালান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। ওই সময় সেখানে একটি ডিজে পার্টি চলছিল। রাতভর অভিযান চালিয়ে রিসোর্টটি থেকে অবৈধ মদ ও বিভিন্ন প্রকার মাদক জব্দ করা হয়। এ সময় ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৯টি এক্সটেসি, ৫ গ্রাম কুশ, ১৬৫ গ্রাম ক্যানাবিস চকলেট, ১০১টি বিয়ার ও ৩ বোতল ভোদকা আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। রিসোর্টটিতে এদিন ডিজে পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে অংশগ্রহণকারী তরুণ–তরুণীদের মাঝে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহ করা হয় বলেও পুলিশ জানায়।
গ্রেপ্তারকৃত অন্যান্যরা হলেন জাহিদুল ইসলাম (৩৪), ফয়জুল ইসলাম খান (৩৫), জিহাদ আহম্মেদ (১৯), রেদোয়ান হাসান চৌধুরী (৩৩) ও আবির হোসেন (২৩)।












