যুগ যুগ ধরে মানুষকে হেদায়তের জন্যে অসংখ্য নবী–রাসূল ধরার বুকে আগমন করেন। আখেরি নবী হুজুরে আকরাম (দ.) এর আগমনের মাধ্যমে নবুয়্যতের পরিসমাপ্তি ঘটে। যার মাধ্যমে আল্লাহর মনোনীত একমাত্র দ্বীন ইসলাম ধরার বুকে প্রতিষ্ঠিত এবং পরিপূর্ণ হয়। দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া মানুষদের পুনরায় হেদায়তের পথে ফিরিয়ে আনতে অগণিত আল্লাহর অলিগণ পৃথিবীতে আগমন করেন। যারা আল্লাহ প্রদত্ত বেলায়তের মাধ্যমে মানুষকে হেদায়তের পথে আহ্বান করেন। এভাবেই পৃথিবীতে শুভাগমন করেন মাহবুবে ছোবহানি কুতুবে রাব্বানি গাউছুল আজম আব্দুল কাদের জিলানী (রা.)। গাউছিয়্যতের এ ধারাবাহিকতায় পৃথিবীতে তশরীফ আনেন খলিলুল্লাহ আওলাদে মোস্তফা খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম (রা.)। যাঁর প্রতিষ্ঠিত তাওয়াজ্জুহ্ বিশিষ্ট এই তরিক্বতের মাধ্যমে পথহারা মানুষ ফিরে আসে সিরাতুল মুস্তাকিমের দিকে, নফসের কুমন্ত্রণা থেকে পরিশুদ্ধ হয়ে রুহানিয়্যত বিকাশে এভাবেই আত্মশুদ্ধি অর্জন করে। বর্তমানেও কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী মানুষের হেদায়তের জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন। ফয়েজে কোরআনের মাধ্যমে নূরে কোরআন বিতরণ করছেন, তাওয়াজ্জুহর মাধ্যমে মানুষকে ইনসানে কামেলে পরিণত করছেন। আধুনিকতার চরম উৎকর্ষতার যুগে নবীর প্রতি ভালোবাসা, কোরআনের প্রতি গভীর আগ্রহ, হারাম–হালাল বিবেচনায় জীবনধারণের পাথেয় বিতরণে এই তরিক্বত যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাদে জোহর হতে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফে ৭৩তম পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উপলক্ষে মাহফিলে মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী প্রধান মেহমানের বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
চবি সিনেট সদস্য এবং মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশের মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে মাহফিলে বক্তব্য দেন, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সবুর ও মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল। মিলাদ–কিয়াম শেষে প্রধান মেহমান দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি–সমৃদ্ধি এবং কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













