গণভোটের গণরায় মেনে নিতে বিএনপিকে বাধ্য করা হবে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বিএনপি সরকারকে বেশিদিন সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, এক দল ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে গিয়ে বনে–জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে, খাল–বিল, নদীনালা দিয়ে পালিয়েছে। আপনারা কোন দিকে যাবেন? আমরা চাই না আপনাদের এমন পরিণতি হোক। আমরা চাই না একটার পর একটা গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশ ও জনগণের ক্ষতি আপনারা করুন। পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, দীর্ঘকাল বসে বসে আপনাদের এই সুযোগ দেব না। সুযোগের সময় খুবই সীমিত। সময় ফুরিয়ে আসছে। এই সময়ের মধ্যে পরিবর্তন হলে আপনাদের অভিনন্দন জানাব। অন্যথায় আপনাদের পরিণতির জন্য আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
গতকাল শনিবার বিকালে নগরের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।
শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় সংসদে কথা বলার পরিবেশ না পেয়ে আমরা জনগণের সংসদে অর্থাৎ রাজপথে চলে এসেছি। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ দেশ ও সীমান্ত রক্ষায় সজাগ। পরিষ্কার কথা। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি না করেন, তাহলে ১৯৯৬ সালে নিজেরাই শেষ পর্যন্ত কেয়ারটেকার সরকারের বিল এনে পাশ করতে বাধ্য হয়েছেন। এবারও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে তা করতে বাধ্য হবেন। ভালোয় ভালোয় মেনে নিন। জনগণকে রাজপথে ঠেলে দেবেন না। আমরা শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারায় থাকতে চাই, আমাদের থাকতে দিন। আমাদের হুমকি দেবেন না। ফাঁসিকে যারা তুচ্ছ মনে করে তাদের জেলের ভয় দেখাবেন না। দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে ফাঁসি করতে হলে প্রস্তুত। মনে রাখবেন, জেলের তালা বা চাবিওয়ালা কোনোটিই স্থায়ী নয়; দিন পরিবর্তন হয়।
তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা গণতন্ত্রের চেতনার পরিপন্থী। জনগণ তাদের ভোটাধিকার ও গণরায়ের যথাযথ প্রতিফলন দেখতে চায়। সরকার যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণই তার জবাব দেবে।
ডা. শফিকুর বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে আপনারা ‘সর্ব বিষয় বিশারদ’ একজন মন্ত্রী পেয়েছেন, যিনি একাই সব মন্ত্রণালয় চালান। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কথাও তাকে বলতে হয়। আমার একটু কষ্ট লাগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তার আশেপাশে তিনি কাদেরকে বসিয়েছেন? তিনি বিভিন্ন জেলায় গিয়ে ভুলভাল তথ্য দিচ্ছেন। সংসদে গিয়ে প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দেন। আর কঙবাজার এসে বলেন ধূমপান ও মাদক জাতীয় দ্রব্যের ট্যাঙ বাড়ানো হয়েছে বলে বিরোধী দল তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে মিছিল করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া। প্রধানমন্ত্রীর পদটি একটি রাষ্ট্রীয় পদ; তিনি রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তার দিকে তাকিয়ে বিশ্বের জনগণ বাংলাদেশকে হিসেব করবে। তার মুখ দিয়ে যদি অনবরত এমন ভুলভাল কথা বের হতে থাকে বাংলাদেশ লজ্জিত হবে ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদের চিহ্নিত করুন, যারা আপনাকে ভুল বুঝাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাজেটের সমালোচনা করা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, এতে রাগ করার কী আছে? অল্পতে ধৈর্য হারালে ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব পালন করবেন কীভাবে? দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে যোগ্য, সৎ ও দেশপ্রেমিক লোকদের মূল্যায়ন না করে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন এবং দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে। সংসদে জনগণের সমস্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে গেলেও নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ সংসদ জনগণের কথা বলার জায়গা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তির কাছে ইজারা দেওয়া হবে না। দেশের ১৮ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এই দেশকে রক্ষা করবে। আমরা জাতির সঙ্গে বেঈমানি করব না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত আছি।
নাহিদ বললেন প্রধানমন্ত্রীর মন খারাপ : বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজকে কঙবাজারে মন খারাপ করে বলেছেন, বিরোধী দল কেন বাজেটের সমালোচনা করে? প্রধানমন্ত্রীর মন খারাপ দেখে আমাদেরও মন খারাপ। আমরা আপনার বাজেটের প্রশংসা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আপনি দুর্নীতি ও লুটপাটের রাস্তা এবং ব্যাংক দখল বন্ধ করেননি। ফলে আমরা জানি না বাজেটের কত টাকা জনগণের উন্নয়নে ব্যয় হবে ও কত টাকা আপনার দলের নেতাকর্মীর পকেটে যাবে। আপনি বাজেট দিয়েছেন, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই। জনগণকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, যে স্বপ্ন পূরণ করতে আপনি চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হবেন। এমন বাজেট দিয়েছেন যেটা বাস্তবায়নে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা বিভিন্ন দেশ থেকে ঋণ নিতে হবে। সুতরাং এই বাজেটের যৌক্তিক সমালোচনা বিরোধী দল হিসেবে আমাদের করতে হবে।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংককে আবারও এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত করছে। আপনি যতই অস্বীকার করেন না কেন, আমরা জানি কে এস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নিয়েছিল। এস আলমকে কারা প্রোটেকশন দিচ্ছে তা জনগণ জানে।
নাহিদ বলেন, কয়েকদিন আগে ভারত থেকে নতুন হাইকমিশনার এসেছে। এরপর মৌলভীবাজার সীমান্তে আবারও এক বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, সীমান্তে কাঁটাতার ও বন্দুক এবং নদীতে বাঁধ দিয়ে কোনো বন্ধুত্ব হয় না। বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশ এবং মাটি এক নয়। এর ফয়সালা ১৯৪৭ সালেই হয়ে গেছে। ১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালে বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি টিকে থাকবে না।
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে পুলিশের মারধরের ঘটনার কথা উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন করতে হলে গণভোটের রায় অনুযায়ী পুলিশ, দুদক ও বিচার বিভাগ সংস্কার করতে হবে। পুলিশ সংস্কার না হওয়ায় জনগণের ওপর আবারও জুলুম শুরু হয়েছে। সরকার যদি আবার স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটে, তবে জনগণকেও গণ অভ্যুত্থানের পথে হাঁটতে হবে।
আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ পুনর্নির্মাণের দাবি অলির : নগরের ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদকে সুন্দরভাবে মেরামত ও পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তিনি বলেন, এটি শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং চট্টগ্রামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। সরকারের উদ্যোগে দ্রুত এর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত।
তিনি বলেন, তারেক রহমানকে অনুরোধ করব, আপনি চারদিকে বিভিন্ন লোক দ্বারা পরিবেষ্টিত। তাদের সম্পর্কে অবগত হোন। অন্য দেশকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, অন্য দেশের দালাল যারা আছে তাদের নিশ্চিহ্ন করুন। ইঁদুর তো আমাদের ঘরে আছে, যারা দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে। আগে ঘর সামলান, তারপর বাইরের কথা চিন্তা করুন।
তিনি বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার আন্দোলন চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়েছিল। এই সরকারের বিরুদ্ধেও যদি প্রয়োজন হয় আন্দোলন শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এখান থেকে শুরু হবে। ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ২০২০ সালে ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসর, চট্টগ্রামের অবৈধ দখলদার নওফেল বাহিনী আলেম সমাজকে চট্টগ্রামের মাটিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করার পাঁয়তারা চালিয়েছিল। বিনিময়ে আল্লাহ পাক বাংলাদেশ থেকে সেই অপশক্তিতে উৎখাত করে দিয়েছেন।
ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশে জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে কোনো রাজনৈতিক শক্তি টিকে থাকতে পারবে না। জাতীয় স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জনগণ এসবের অবসান চায়।
মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, জুলাইয়ের চেতনা ছিল একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জুলাই চেতনা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। কর্তৃত্ববাদী ও স্বৈরশাসকদের পরিণতি কখনো শুভ হয় না। আমরা সরকারকে বিরোধী দলসমূহকে সঙ্গে নিয়ে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এমপি, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আলী ওসমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এড. আতিকুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি, এনসিপির নেতা এসএম সুজা উদ্দিন ও মহানগরী আহ্বায়ক মীর মো. শোয়াইব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি মাওলানা এমদাদুল্লাহ সোহাইল, খেলাফত মজলিশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি অধ্যাপক খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মাওলানা জিয়াউল হোসাইন, এলডিপির চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি সৈয়দ গিয়াসুদ্দিন আলম, জাগপার চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি আবু মোজাফফর মুহাম্মদ আনাস, বাংলাদেশ লেবার পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি আলা উদ্দিন আলী, বিডিপি চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক এড. জোবায়ের মাহমুদ, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, উত্তর জেলা আমির আলা উদ্দিন সিকদার, কঙবাজার জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহম্মদ আনোয়ারী, চাকসু ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, মহানগরী উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ মুমিনুল হক প্রমুখ।







