খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ করবে চসিক

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক সভায় সিদ্ধান্ত । পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক হবে : পানি সম্পদ মন্ত্রী । সব সেবা সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : মেয়র

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ

নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান প্রকল্পের কাজ শেষে খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক তদারকি ও মেইনটেনেন্স (রক্ষণাবেক্ষণ) করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং চসিকের মধ্যে একটি সমাঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হবে। এমওইউএর পর চসিক খাল রক্ষণাবেক্ষণে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেবে। এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণের অতিরিক্ত খরচএর সংস্থানসহ সামগ্রিক বিষয়ে একটি মেইনটেনেন্স প্রকল্পের উন্নয়ন প্রস্তাবনা (ডিপিপি) করবে চসিক। গতকাল বুধবার টাইগারপাস নগর ভবনে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় নির্ধারণে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।

সভা শেষে সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের বলেন, সিটি কর্পোরেশন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় তথা পানি উন্নয়ন বোর্ড এর মধ্যে এমওইউ করে দিব। যার ভিত্তিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার মেইনটেনেন্স, পাম্প হাউজ, টোটাল ম্যানেজমেন্ট এর দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের উপর বর্তাবে। এ ধরনের কাজ সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে তারা কন্টিনিউয়াসলি নিরসন করবে। উনাদের কাজ, উনারাই দায়িত্ব থেকে শক্তভাবে নিজেরা দেখভাল করবেন। অবশ্য মেয়র সাহেব এ কাজগুলো এখনো সার্বক্ষণিকভাবে তদারক করছেন। এর আগে সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সিটি কর্পোরেশনের একটি এমওইউ করে দেব। সিটি কর্পোরেশন এটাকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নেবে এবং পয়ঃপরিষ্কার, মেইনটেনেন্স ইত্যাদির জন্য যা যা করার দরকার ভবিষ্যতে তারাই করবে। সেটার জন্য যদি এক্সট্রা বরাদ্দ দিতে হয়, সেটাও আমাদেরকে দিতে হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রী নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রকল্পপরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ, খালনালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগ এবং সিটি কর্পোরেশনের কার্যকর সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দায়িত্বটুকু উনাদের উপর না দিই, তাহলে এটা মেইনটেনেন্সও হবে না, মেইনটেইনও হবে না এবং পরবর্তীতে এই জলাবদ্ধতা আরও চরম থেকে চরমতম হবে।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে এখন একটি সমন্বিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে এ কাজে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রয়োজন হলে সিটি কর্পোরেশনের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ, জনবল ও প্রয়োজনীয় সক্ষমতার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ প্রকল্প শেষ হওয়ার পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হলে কয়েক বছর পর আবার একই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ্যানি বলেন, সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর কাঠামো তৈরি করতে হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাই যদি সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে, তাহলে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, আগের পরিকল্পনায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ঘাটতি থাকায় এখন বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করতে হচ্ছে। তবে অতীতের সীমাবদ্ধতা নিয়ে পড়ে না থেকে বর্তমানে যে অবকাঠামো তৈরি হয়েছে, সেটিকে কার্যকর ও টেকসই করার দিকে নজর দিতে হবে। ভবিষ্যতে যাতে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ অন্য প্রতিষ্ঠানের কাজের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন না থাকে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

এসময় চসিকের উদ্দেশে এ্যানি বলেন, মেইনটেনেন্স প্রজেক্ট ডিপিপি’তে নিয়ে আসতে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং মেইনটেনেন্সসহ যা যা লাগে সেটা করে জনবল নিয়োগ করে এটা কন্টিনিউ করবেন। এ বিষয়ে যদি আমরা এরকম এলার্ট থাকি জলাবদ্ধতা দূর হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা যদি ঐদিকে নজর না দিই, সমস্যা আরো তৈরি হবে, সেটা আমরা চাই না। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন যে উদ্যোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের একসঙ্গে আলোচনায় বসার সুযোগ তৈরি করেছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো একটি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। এ উদ্যোগের জন্য তিনি মেয়রকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান।

এ্যানি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্প চলমান রয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সেটি কীভাবে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে, পানি কীভাবে প্রবাহিত হবে এবং ছোটবড় খাল, ড্রেন ও অন্যান্য জলপ্রবাহের মধ্যে কীভাবে কার্যকর সংযোগ থাকবেএসব বিষয়ও পরিকল্পনার শুরুতেই বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

মন্ত্রী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে। কিন্তু সিটি কর্পোরেশনকে শুরু থেকেই সমন্বিতভাবে প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন ছিল। কারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পর খাল, ড্রেন ও পানি নিষ্কাশন অবকাঠামোর নিয়মিত পরিষ্কারপরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও দখলমুক্ত রাখার দায়িত্ব কারতা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ না থাকলে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও কাক্সিক্ষত সুফল পাওয়া কঠিন হবে। তিনি বলেন, কোথাও একটি ড্রেন বা খালের কাজ শেষ হয়েছে, আবার অন্য জায়গায় কাজ চলমান রয়েছে। কোথাও খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে, কোথাও দখল হচ্ছে। এসব বিষয় সমন্বিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে।

পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান কাজগুলো শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কয়েকটি খালের কাজ এবং সংশ্লিষ্ট রেগুলেটরের কাজ সম্পন্ন হলে পানি প্রবাহের সক্ষমতা আরও বাড়বে। তবে এসব খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঙ্গে মহানগরীর ছোট ছোট খাল, নালা ও সংযোগ খালগুলোর আন্তঃসংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একটি অংশের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরেকটি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত না থাকলে কোথাও পানি আটকে থেকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।

সভা শেষে জলাবদ্ধতা নিয়ে নতুন কোনো প্রকল্প নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, চারটি প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ মুহূর্তে নতুন কোনো প্রকল্প হাতে নেই। যদি প্রয়োজন হয় পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে একক কোনো সংস্থার পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। এ জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পারলে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব।

তিনি বলেন, আমি ২০২৪ সালের নভেম্বরের দিকে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি। তখন নগরের অনেক এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যেত। মেয়র রেজাউলের বহদ্দরহাটের মতো এলাকায় মানুষের স্বাভাবিক চলাচলও ব্যাহত হতো। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন এলাকায় খালনালা পরিষ্কার, সংস্কার ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করা হয়েছে। এর ফলে ২০২৫ সাল থেকে বহদ্দারহাটসহ অনেক এলাকায় আগের মতো পানি ওঠেনি। অথচ এ বছর বৃষ্টির পরিমাণ ছিল অত্যন্ত বেশি।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামে এ বছর একদিনে ৪১২ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগে ২০০৭ সালে একদিনে ৪০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল। ওই সময় পাহাড়ধসসহ বিভিন্ন ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। এ বছর বিপুল পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

ডা. শাহাদাত বলেন, অতিবৃষ্টির পাশাপাশি পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় কাটার কারণে সৃষ্ট মাটিবালু খাল ও নালা ভরাট হয়ে যাওয়াও জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। এসব বিষয়কে সমন্বিতভাবে বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে যেতে হবে।

মেয়র বলেন, নগরীর প্রায় ৪০টি খাল নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের একটি ডিপিপি রয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের আওতায়ও বেশ কিছু খালের সংস্কার ও পুনঃখননের কাজ চলছে। যেসব খাল সেনাবাহিনীর প্রকল্পের আওতায় রয়েছে, সেগুলো তারা করবে এবং অন্যান্য খালের কাজ সিটি কর্পোরেশন করবে। এসব কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা গেলে জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি।

তিনি বলেন, হিজড়া খালসহ কয়েকটি খালের কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। বৈশাখ মাসে চট্টগ্রামে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, তা ছিল অস্বাভাবিক। এত অল্প সময়ে এত বেশি বৃষ্টি হবেএটা অনেকেরই ধারণার বাইরে ছিল। ফলে প্রবর্তক মোড়ে সে সময় সেনাবাহিনীর প্রকল্পে জন্য বাঁধ থাকায় কিছু এলাকায় হঠাৎ করে পানি জমেছিল। তবে এটিকে পুরো বছরের জলাবদ্ধতার চিত্র হিসেবে দেখলে চলবে না। গত বছরের তুলনায় অনেক এলাকায় পানি জমার সময় ও স্থায়িত্ব কমেছেএটিও আমাদের অগ্রগতির অংশ।

সেনাবাহিনীর চলমান প্রকল্পের প্রশংসা করে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী যেভাবে খাল ও জলাধারের জায়গা উদ্ধার, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত কাজ করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক জায়গায় রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার কারণে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন ছিল। কিন্তু তারা ধৈর্য ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছে। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, চলমান প্রকল্পের কাজগুলো বাস্তবায়নের আগে এবং পরে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের পর্যবেক্ষণ ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলীরাও বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে তাদের পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের এসব কারিগরি পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হলে কাক্সিক্ষত ফলাফল আরও দ্রুত পাওয়া সম্ভব।

ডা. শাহাদাত বলেন, জলাবদ্ধতা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়, এটি পুরো নগরীর সমস্যা। তাই এর সমাধানও হতে হবে সম্মিলিত উদ্যোগে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, নিয়মিত তথ্য আদানপ্রদান এবং মাঠপর্যায়ে যৌথভাবে কাজ করার মাধ্যমে আমরা একটি জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই।

পূর্ববর্তী নিবন্ধজাতিসংঘের বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর