কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব নুরুল আমিনের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা যায়, ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আকস্মিক হামলা চালায়। এ সময় নুরুল আমিনের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়।
পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল করিম রেজা এ ঘটনার জন্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের দায়ী করেন।
তিনি বলেন, ‘নুরুল আমিনের অবস্থা অত্যন্ত আশংকাজনক। তার মাথায় ৪-৫টি কোপ দেওয়া হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে দ্রুত রক্তের ব্যবস্থা করার তাগিদ দিয়েছেন।’
উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের নেতার ওপর এই হামলা চালিয়েছে। আমরা অবিলম্বে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষুব্ধ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পালংখালী স্টেশন, থাইংখালী ও উখিয়া সদরসহ অন্তত ৪টি স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাত ১০টার দিকেও সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ‘সন্ত্রাসী হামলায় এক বিএনপি নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’











