নতুন এলএনজি কার্গো না আসায় মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। গত শনিবার সামিটের টার্মিনাল পুরোদমে এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক চালু হলে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছিল। এতে টানা ২৫ দিনের গ্যাস সংকটের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার আশা তৈরি হয়। গতকাল দুপুর ১২টায় দুই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৬৬১ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ হচ্ছিল। কিন্তু এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে রাত ৮টায় আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ কমে দৈনিক ৫৬১ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসে। দুই ভাসমান টার্মিনালের সম্মিলিত সরবরাহ সক্ষমতা দৈনিক ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গত রাতের এলএনজি সরবরাহ ছিল সেই সক্ষমতার ৫১ শতাংশের মত।
প্রসঙ্গত, মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি পরিচালনা করছে এক্সিলারেট এনার্জি, অন্যটি পরিচালনা করছে সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি। এদিকে গতকাল দিনের বেলা চট্টগ্রামে ২১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেয়া হয়েছে। যা চট্টগ্রামের চাহিদার অর্ধেকের সামান্য বেশি। তবে ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে যাওয়ার অবস্থা থেকে কিছুটা উন্নতি হওয়ায় বাসা বাড়িতে চুলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে। তবে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাসের সংকট অব্যাহত থাকে।
পেট্রোবাংলার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, এক্সিলারেটের টার্মিনালটি যান্ত্রিক ত্রুটিতে নয়, সরবরাহযোগ্য এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার একটি এলএনজি কার্গো দেশে আসার কথা রয়েছে। সেটি সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে এক্সিলারেটের জন্য একটি কার্গো ২৩ বা ২৪ আগস্ট আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এতে গ্যাস সংকট আরও বাড়তে পারে।











