ব্যাগে নতুন পোশাক ঢোকানো হয়েছে, শিশুর খেলনা আছে, আত্মীয়দের জন্য উপহারও ভরা। তবে একটা জিনিস অনেকেই ভুলে যান, আর সেটা হল ওষুধ।
লঞ্চে মাঝনদীতে বা বাসে যানজটে আটকে হঠাৎ মাথা ঘুরলে, পেট খারাপ হলে বা শিশু জ্বরে কাঁদতে শুরু করলে পাশে ফার্মেসি থাকে না। গভীর রাতে তো আরও নয়। তখন একটা প্যারাসিটামল বা ওআরএস, মানে খাবার স্যালাইনের প্যাকেট যে কতটা মূল্যবান হয়ে ওঠে, সেটা একবার যে বিপদে পড়েছে সে বুঝে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন, ঈদে দীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্তি, পানিশূন্যতা, গ্যাস্ট্রিক, মাথাব্যথা আর ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা খুব সাধারণ বিষয়। ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু প্রাথমিক ওষুধ সঙ্গে রাখা উচিত। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।
জ্বর ও ব্যথার ওষুধ, এটা না রাখলেই বিপদ : ভ্রমণের ক্লান্তি, গরম, অনিয়মিত ঘুম– এসব কারণে শরীর সহজেই ভেঙে পড়ে। হঠাৎ জ্বর আসতে পারে, মাথাব্যথা হতে পারে, গায়ে ব্যথাও লাগতে পারে। প্যারাসিটামল ধরনের ওষুধ সঙ্গে থাকলে এই মুহূর্তগুলো সহজেই সামলানো যায়। বড়দের জন্য আলাদা, শিশুদের জন্য সাসপেনশন বা সিরাপ আলাদা করে রাখা উচিত।
গ্যাস্ট্রিক ও বদহজম, ঈদে এটা প্রায় সবার হয় : কোরবানির মাংস, বিরিয়ানি, পোলাও, কোরমা, ঈদের খাবারে তেল–মসলার ঘাটতি থাকে না। পথের মধ্যে বাইরের খাবারও খেতে হয়। এই দুইয়ে মিলে পেটে অম্বল, গ্যাস বা বদহজম প্রায় অনিবার্য। ডা. নয়ন বলেন, অ্যান্টাসিড ধরনের ওষুধ ব্যাগে থাকলে পথের মধ্যে অস্বস্তি থেকে দ্রুত মুক্তি মেলে। রাস্তায় চা বা ভাজাপোড়া খেয়ে পেট গোলানো অনুভব হলে এটাই সবার আগে কাজ করে।











