আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করছে

সিঅ্যান্ডএফ নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

| শনিবার , ১৬ মে, ২০২৬ at ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ

আমদানিরপ্তানি বাণিজ্যকে আরও সহজ, গতিশীল ও ব্যবসাবন্ধব করতে টাইম অ্যান্ড কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস হ্রাস করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানিরপ্তানি কার্যক্রমকে সেবাবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট সকল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

গতকাল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং কাজের পরিবেশ উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী, ২য় সহসভাপতি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, ৩য় সহসভাপতি মো. আবু সালেহ, অর্থ সম্পাদক মুক্তার হোসেন পাটোয়ারী, কাস্টমস সম্পাদক এএসএম রেজাউল করিম স্বপন, যুগ্ম বন্দর সম্পাদক লোকমান হোসেন খন্দকার, আইন সম্পাদক এসএম ফরিদুল আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী বলেন, দেশের আমদানিরপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আহরণে সিএন্ডএফ এজেন্টগণ দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই সিএন্ডএফ এজেন্টগণ যেন নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে জন্য ভোগান্তি ও হয়রানিমুক্ত বন্দর ও কাস্টমস ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের মতো বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মপরিসরে স্থল কাস্টমস স্টেশন থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ সিএন্ডএফ এজেন্টদের অধিক্ষেত্র সংযোজনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ প্রদান করার কারণে ভবিষ্যতে অনিময়, শুল্ক ফাঁকি তথা রাজস্ব ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধওমানে নিহত চার সহোদরের পরিবারের পাশে ডা. এটিএম রেজাউল করিম
পরবর্তী নিবন্ধমানুষের মুক্তির উপায় অন্বেষণ করেছেন সরদার ফজলুল করিম