চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ থানা এলাকায় বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে আকবরশাহ থানা পুলিশ। থানায় করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যের সূত্র ধরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনায় অনুসন্ধান চালিয়ে এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) উদ্ধার করা ১০টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আকবরশাহ থানায় আয়োজিত হস্তান্তর কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন, পাহাড়তলী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রুহুল আমিন লাবু এবং আকবরশাহ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আকবরশাহ থানা এলাকায় গত কয়েকদিনে বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি করা হয়। জিডিগুলোর তথ্য পর্যালোচনা করে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী এএসআই মিঠন চন্দ্র ঘোষ হারানো মোবাইল ফোনগুলোর অবস্থান শনাক্ত ও উদ্ধারে অনুসন্ধান চালান।
ধারাবাহিক অনুসন্ধানের একপর্যায়ে তিনি ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হন। পরে যাচাই-বাছাই করে ফোনগুলোর প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করা হয়। মঙ্গলবার তাদের প্রত্যেকের হাতে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন তুলে দেওয়া হয়।
হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন মালিকরা। তারা আকবরশাহ থানা পুলিশের তৎপরতার প্রশংসা করেন এবং মোবাইল ফোন উদ্ধারে সহযোগিতা ও উদ্যোগের জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ও আকবরশাহ থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন। কিন্তু দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে এবং মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পুলিশকে সরবরাহ করলে তা উদ্ধারে অনুসন্ধান চালানো সম্ভব হয়। এ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের করা জিডি পুলিশকে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান পরিচালনায় সহায়তা করেছে।
আকবরশাহ থানা পুলিশ জানায়, নাগরিকদের জানমাল রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হারানো সম্পদ উদ্ধারের বিষয়েও পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। জনগণের অভিযোগ ও সমস্যাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
পুলিশের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।












