শিক্ষকদের সমাজের আলোকবর্তিকা হিসেবে অভিহিত করে অবসরকালীন সুবিধার অর্থের জন্য তাদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল শনিবার বেসরকারি শিক্ষক–কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা এখনো সমাজের শিক্ষক। বাংলাদেশের আবহমান কালের ধর্মীয় সামাজিক এবং পারিবারিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় এখনো জনমানসে আপনাদের ভূমিকা সর্বজনগ্রাহ্য। আপনারা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমাদের চলমান এই সমাজে আলোকবর্তিকা হিসেবে ভূমিকা রাখবেন এই প্রত্যাশা রাখছি। খবর বিডিনিউজের।
সরকারপ্রধান বলেন, আজ এই অনুষ্ঠানে একটি কথা তুলে ধরতে চাই, যতদিন আপনাদের নির্বাচিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে, অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে আপনাদেরকে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। আমাদের চেষ্টা থাকবে যাতে আপনাদের আর কোনো ভোগান্তি পোহাতে হবে না। আর কোনো মধ্যস্বত্তভোগীর যন্ত্রনা সইতে হবে না। আগামী দিনগুলোতে যথাসময়ে অনলাইনে আপনাদের প্রাপ্য টাকা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই আপনাদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে ইনশাআল্লাহ।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষক–কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান উদ্বোধনের এ অনুষ্ঠান হয়। শিক্ষক–শিক্ষক–কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণের এই অর্থ পরিশোধে এককালীন ২০৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার।
চার বছর ধরে জমে থাকা শিক্ষকদের বকেয়ার জট কাটাতে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে শিক্ষকদের স্ব স্ব ব্যাংক হিসাবে এ অর্থ পাঠানো হচ্ছে। দেশের বেসরকারি স্কুল কলেজ এবং মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক–শিক্ষিকা ২০২২ সালের পর সরকারি দুটি তহবিলে তাদের জমানো টাকার একটি অংশ ফেরত পাচ্ছেন। এ দুটি তহবিলের একটি হচ্ছে, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট’ এবং অন্যটি ‘অবসর সুবিধা বোর্ড’। তহবিল দুটিতে জমানো টাকার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে ৭০ হাজারের বেশি শিক্ষক–শিক্ষিকার মধ্যে এ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল তা কিছুটা হলেও কমবে।












