নগরীর পাহাড়তলী সেগুন বাগান এলাকায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কলেজছাত্র সুজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার সাতজনের মধ্যে চারজন হলেন মো. হাবীব হোসেন মুন্না (১৯), মো. রাকিব হাসান (১৯), মো. সজিব (২৫) ও মো. হৃদয় (২১)। বাকি তিনজন ১৬ বছর বয়সী অপরাধে জড়িয়ে পড়া শিশু। তাই তাদের নাম–ঠিকানা প্রকাশ করেনি পুলিশ।
খুলশী থানার ওসি রুবেল হাওলাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, চার–পাঁচজন বন্ধু মিলে ইজিবাইকযোগে খুলশীর আমবাগান এলাকা থেকে যাচ্ছিল। এ সময় ইজিবাইকের গতি বেশি হওয়ার কারণে রাস্তায় হাঁটা এক যুবকের (ইমন) গায়ের উপর দিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। ওই যুবক সঙ্গে সঙ্গে তাদের থামতে বললে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় ওই যুবক একা থাকায় আসামিরা তার সঙ্গে বেপরোয়া আচরণ করে এবং মারধর করে। একইসঙ্গে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যেতে চায়। তখন সে সেখান থেকে কৌশলে সরে গিয়ে কয়েকজন বন্ধুকে আসতে বলে। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এলে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে আসামি মুন্না ছুরি দিয়ে ওই যুবকের বন্ধু আব্দুর রহমান সুজনকে বুকের নিচে ডান পাশে আঘাত করে। অপর আসামি সাগর ছুরি দিয়ে মো. ফরহাদ আলী জিসানকে পেটে আঘাত করে পালিয়ে যায়। ছুরিকাহত দুজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত জিসানকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
ওসি বলেন, এলাকা সূত্রে জানা গেছে, তারা সবাই এলাকাভিত্তিক গ্রুপিং করে; মানে এলাকাভিত্তিক চলাফেরা করে, আড্ডা দেয়। তবে আবার কেউ কেউ বিভিন্ন কার্যক্রমেও যোগদান করে। তারা কেউই কোনো ধরনের নির্ধারিত পেশায় জড়িত নয়। তবে দুই–একজন বলছে লেখাপড়া করে।












