প্রাপ্ত বয়সে পড়লে জীবনের মর্ম যথাযথ উপলব্ধি করতে পারে। শিশু, তরুণ শৃংখল ভাঙায় যেন আনন্দ লাভ তাদের। নিষিদ্ধ জিনিসে আসক্তি বেশি। যতই বারণ করেন ততই আসক্তি। যেন নিয়মে চলতে বললে অনিয়ম ভর করে। কেন নিয়ম মানবে আবার কেনই বা নিয়ম ভাঙবে? এর সঠিক উত্তর পাওয়া দায়। কেননা বয়স ভেদে যোগ্যতা ও ক্ষমতার গুনাগুনে এই নিয়ম অনিয়মের খেলা চলবে। সুশৃঙ্খল জীবন সকলের কাম্য। পাললিক শিলা যেমন ভাঁজে ভাঁজে স্তর বিশিষ্ট হয় এবং এর গুনাগুনও অন্য শিলা থেকে চমকপদ। তেমনটাই শৃঙ্খল জীবন স্তরে স্তরে সজ্জিত। এলোমেলো অগোছালো জীবন আপনাকে বিশৃঙ্খল করবে। কাজের অগ্রগতি শিখিয়ে দেবে।
ছাত্র জীবন অধ্যায়নের সময়। অধ্যবসায় সময়ানুবর্তিতা, শ্রমের মর্যাদা এগুলোর ভিত্তি গড়ে তোলার সময়। আর এজন্যই তাদের শৃংখল জীবনের বড়ই প্রয়োজন। অথচ এই বয়সেই যত সব অনিয়ম, অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন চলে। বাবা মায়ের শাসনকে তাদের প্রচন্ড ঘৃণাও হতে পারে। বাঁধাহীন চলার চরম আকুতি নিয়ে চলে। যারাই শৃঙ্খলায় আবদ্ধ, তাদের ক্ষেত্রে সফলতা একটু বেশি ধরা দেয়। কোনক্ষেত্রে ছাত্র জীবনে বাঁধাহীন পথচলা হলেও প্রাপ্ত বয়সে নিজেকে গুছিয়ে নিতে সক্ষম হতে পারে। তবুও স্তরে স্তরে সজ্জিত জীবন সফলতার সিঁড়ির ধাপ পার হতে পারে। এখানে শৃঙ্খলার দরকার। এজন্যই সুশৃঙ্খল জীবনের বিকল্প নেই। সুশৃঙ্খল জীবনই পারে সুন্দর জীবন দান করতে।












