আধুনিক যুগে অনলাইনে হয়না এমন কোন জিনিস নেই। যেকোন সেবায় আপনি অনলাইনে মুহূর্তে পেয়ে যাবেন খুব সহজে। কিন্তু আমাদের জীবনকে সহজ করতে গিয়ে অনলাইনের ভাইরাসে ঢুকে গেছি নিজের অজান্তেই। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ম্যাসেঞ্জার আরো অনেক সোশাল মিডিয়া আছে যার মাধ্যমে খুব সহজে দেশ বিদেশের খবর, বন্ধু বান্ধবের খবর, নানা রকম রাজনৈতিক খবর দেখতে ও শুনতে পারি। এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যোগাযোগ করতে পারি মুহূর্তের মধ্যে কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি এই সকল সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে আমাদের কতটা ক্ষতি হচ্ছে! ফেসবুকে একটু ঢুকে কিছু দেখতে দেখতে কখন আপনি নিজের অজান্তে কোথাই হারিয়ে যাচ্ছেন আপনি বুঝতেই পারছেন না। কি কাজে আপনি ফেসবুকে ঢুকেছিলেন সেটাও ভুলে যান কিছুক্ষণ পরে। এগুলো যেমন আপনার সময়কে নষ্ট করছে তেমনি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনেক সময় আমরা ফেসবুকে অপরিচিত কাউকে ভার্চুয়ালি নিজের লোক মনে করে ফেলি। তখন আপনি আপনার মনের কথা, জীবনের সুখ দুঃখের কথা, গোপন কথা সব তাকে এক সময় বলতে থাকেন। কোন এক সময় দেখা গেলো সেগুলোই আপনার মান হানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অপরিচিত কাউকে গুরুত্ব দিয়ে, সময় দিয়ে, মজার ছলে কোনও কিছু বলার আগে ভেবে দেখুন সে কি আসলেই তেমন, যেমনটা আপনি ভেবে কথা বলছেন নাকি গোপনে সে আপনার সরলতার সুযোগ নিচ্ছে।
এমন একটা পরিস্থিতির মুখে আছি আমরা যার কারণে আমাদের সময়, স্বাস্থ্য এবং সম্মান নষ্ট করছি একটি ভুলের কারণে। অনলাইনে সময়কে কাজে লাগান, সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজের মাধ্যম করে নিন। নিজের মূল্যবান সময়কে নষ্ট না করে কাজে লাগান। রাত জেগে অনলাইনে থাকলে যেমন আপনার সময় নষ্ট হচ্ছে তেমনি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
ব্যক্তিগত জীবনে অনলাইনে অপরিচিত কারো সাথে কথা বলা, সময় দেওয়া, টাকা লেনদেন থেকে বিরত থাকুন। ব্যক্তিগত কিছু শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। এমন একটা সময় আসবে যখন আপনি নিজের ভুলের কারণে নিজের সম্মানটুকুই হারিয়ে ফেলবেন। সময়কে কাজে লাগান। যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু সময় সোশাল মিডিয়াই দিন। খেলাধুলা করুন মন এবং শরীর দুইটাই ভালো থাকবে। অনলাইনে গেমস্ খেলা কমিয়ে দিন।
আপনি খুব সহজে অনলাইনকে নিজের আয়ের উৎস বানাতে পারেন। ফ্রিল্যানসিং শিখে অনেকেই এখন সাবলম্বি হয়ে উঠেছে। আপনিও চাইলে অনলাইন ভিত্তিক কাজ শিখে সময়কে সঠিক জায়গায় প্রয়োগ করতে পারেন।












