পাচার রোধ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির একগুচ্ছ প্রস্তাব

| সোমবার , ৪ মে, ২০২৬ at ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ

বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সংকটের সময়ে সীমান্ত এলাকায় পাচার রোধে তেলবাহী যানে নজরদারি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এস এম আবুল মনসুর। গতকাল রোববার নগরীর দেওয়ানহাটে সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত ‘দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্রেস কনফারেন্সে সরকারের প্রতি একগুচ্ছ প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

তার মতে, বিগত এক বছরের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সম্প্রতি মেরিন ডিলারদের অনুকূলে অনেক সরবরাহ আদেশ ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু সেসব জ্বালানি প্রকৃতপক্ষে কোথায় যায় তা মনিটরিং করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র সেল গঠন করে অনলাইন ট্রেকিং চালু করলে কালোবাজারি ও অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে। তেল ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও মজুত উন্নীতকরণের উপর গুরুত্ব দিয়ে লিখিত প্রস্তাবনায় এস এম আবুল মনসুর বলেন, জ্বালানি তেল ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। বৈশ্বিক অস্থিরতা মোকাবিলা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা ৯০ দিনে উন্নীত করা যেতে পারে। বিদেশি সফল মডেল পর্যবেক্ষণের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দক্ষ উদ্যোগ নিয়েছে। জার্মানি থেকে জাপান, এমনকি প্রতিবেশী দেশগুলো কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। বিকল্প ব্যবস্থা চালুরও প্রস্তাব দেন তিনি। আমার প্রস্তাবিত বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা সহজ নয়, কিন্তু অসম্ভবও নয়। শুধু সদিচ্ছা, আন্তরিকতা ও স্বচ্ছতা প্রয়োজন। এছাড়া আমদানিনির্ভরতা কমাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রকল্প ইউনিট২ এর কাজ দ্রুত শেষ না করা এবং ২ লক্ষ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন মহেশখালীর এসপিএম প্রকল্প চালু না করা দুঃখজনক বলে মনে করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ মাহমুদ, কার্যকরী সদস্য গোলাম জিলানী, মনজুর হোসেন ও মো. ইমরান হোসেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধের হুঁশিয়ারি চবি শিক্ষার্থীদের
পরবর্তী নিবন্ধরামগড়ে ভুয়া ডাক্তারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা