রাজকুমার সিদ্ধার্থের জন্ম, বোধিজ্ঞান লাভ, মহামানব গৌতম বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণ লাভ। ত্রি–স্মৃতি বিজরিত পবিত্র দিন নিয়ে শুভ বৈশাখী পূর্ণিমা ২৫৬৯ বুদ্ধবর্ষ। পৃথিবীতে তিনিই একমাত্র মানবপুত্র জন্ম, বুদ্ধত্বলাভ ও মহাপরিনির্বাণ লাভ একই দিনে হয়েছিল। তাঁর লুম্বিনী কাননে জন্ম, ভারতে বুদ্ধগয়া নৈরঞ্জনা নদীর তীরে বোধিবৃক্ষের তলে বুদ্ধত্ব লাভ এবং কুশিনগরে মহাপরিনির্বাণ (মত্যু) লাভ করেন। তাই আজ এই পবিত্র দিনটি বৌদ্ধদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন। পৃথিবীর সমগ্র বৌদ্ধজাতি শ্রদ্ধার সাথে এই দিনটি স্মরণ করেন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মহাসমারোহে দিনটি উদযাপন করেন। পৃথিবীর সকল প্রাণিসহ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলের মঙ্গলময় জীবন কামনায় বৌদ্ধরা নিয়োজিত থাকেন। একে অপরের সাথে হিংসা বিদ্বেষ ত্যাগ করে সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব পোষণ করেন। মহাকারুণিক তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধ কর্তৃক প্রজ্ঞাপ্তবাণী কোন একটি গোষ্ঠী বা সমপ্রাদায়ের জন্য বুদ্ধ–ধর্ম প্রচার করেননি। তিনি সব প্রাণী এবং মানুষের মঙ্গল ও কল্যানের জন্য আজীবন মুক্তির বাণী প্রচার করে গেছেন। করুণাঘন বুদ্ধ ভগবানের ভাষায় ‘বহুজন হিতায়, বহুজন সুখায়’–এই বাস্তবতার আলোকে মানব সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে সমাজপরিমণ্ডলে সুস্থ ও সুন্দর প্রজ্ঞা শ্রম আত্মত্যাগে দেশ সমাজ জাতি সদ্ধর্ম আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক।












