রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর ও চুরির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলাকারী ও মাদকাসক্ত অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে রাঙ্গুনিয়া থেকে চিরতরে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। গতকাল সোমবার বিকেলে পোমরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়ির দোকান সংলগ্ন মা মগদ্বেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, পোমরার মতো জায়গায় এই ধরনের জঘন্য ঘটনা ঘটবে, আমি কখনো ভাবিনি। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। মন্দিরে যে আঘাত করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। তিনি বলেন, মসজিদে হামলা হলে যে ধরনের শাস্তি দেওয়া হতো, এই মন্দিরে হামলার ক্ষেত্রেও একই শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে মন্দিরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের দায়িত্ব আমরা নিচ্ছি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ফান্ড থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মন্দিরকে অনুদান দেওয়া হবে।
এলাকায় অপরাধ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে মাদকের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের নেশা না করলে কেউ এই ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে না। আমরা যদি মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, তবে এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা আর ঘটবে না। বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আমি ওয়াদা করেছিলাম রাঙ্গুনিয়ায় বালু ব্যবসা বন্ধ করে দেব। এখন থেকে রাঙ্গুনিয়ার নদী থেকে বালু উত্তোলন পুরোপুরি অবৈধ। যদি কোনো ট্রাক বালু নিয়ে যেতে দেখেন, তবে তাদের থামিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিন। ড্রেজারের আওয়াজ পেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, তার সময়ে রাঙ্গুনিয়ার মাটি ও নদী রক্ষায় আর কোনো নতুন টেন্ডার দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, নতুন কোনো টেন্ডার হবে না। আমি যতদিন আছি, আমি কোনো টেন্ডার হতে দেবো না।













