শীলা মোমেন একজন সঙ্গীতশিল্পী, রবীন্দ্রসঙ্গীতই তাঁর চর্চা ও ধ্যানের জগৎ। রবীন্দ্র প্রেমে মজে ষাট বছর ধরে রবীন্দ্র চর্চায় ডুবে আছেন। তিনি শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুলকির সর্বাধ্যক্ষ; ফুলকি পরিচালনা ও শিক্ষকতা আর রবীন্দ্রচর্চা এই তাঁর জীবন ও জগত। ফুলকিকেও রবীন্দ্র চর্চার এক পীঠস্থানে পরিণত করেছেন তিনি। তাঁকে বলা যায় রবীন্দ্রমানসকন্যা, রবীন্দ্র সঙ্গীত সাধিকা। এমনই নিবিষ্ট মনে, নিবেদিত চিত্তে দেশে রবীন্দ্রচর্চায় নিয়োজিত আছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, বয়সে ঊন অদিতি মহসিন, প্রয়াত মিতা হক। আমি তাঁকে শীলা বৌদি সম্বোধন করি এবং তাতেই আমি স্বচ্ছন্দ বোধ করি।
শীলা বৌদিকে আমি রবীন্দ্র সঙ্গীতের একটি ‘ইনস্টিটিউশন’ হিসেবে বর্ণনা করতে চাই। আমার বিবেচনায় ঢাকায় বর্তমানে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, অদিতি মহসিন, মিতা হক–এঁরা প্রত্যেকে রবীন্দ্র সংগীতের এক একজন ইনস্টিটিউশন ছিলেন, এর মধ্যে মিতা হক হারিয়ে গেছেন। কলিম শরাফী ও সনজিদা খাতুনও তাঁদের সময়ে এমনি ইনস্টিটিউশন ছিলেন। চট্টগ্রামে উস্তাদ মিহির নন্দীও এমনি ইনস্টিটিউশন ছিলেন। ওয়াহিদুল হক একটি ইনস্টিটিউশন ছিলেন। কিন্তু তিনি তো চট্টগ্রামের নন, পরিযায়ী পাখির মত মাঝে মধ্যে আসতেন। তাঁকে শুধু রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিশেষজ্ঞ মনে করলে ভুল হবে। তিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, প্রাচীন বাংলা গানের শিল্পী ও সঙ্গীত তাত্ত্বিক ছিলেন। শীলা বৌদি ওয়াহিদুল হক থেকে রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্পর্কে অনেক কিছু নিয়েছেন।
শীলা বৌদি বাংলাদেশ স্কুল টেক্সটবুক বোর্ড–এর সঙ্গীত বিষয়ক বইয়ের লেখক। চট্টগ্রামের অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী তাঁর কাছে বিভিন্ন সময়ে তালিম নিয়েছেন। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সঙ্গীত ও নৃত্যের বিচারক হিসেবে শীলা বৌদির খ্যাতি রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় তিনি জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেছিলেন।
শুদ্ধ সঙ্গীত চর্চার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন রক্তকরবী। এ দল নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা এবং কলকাতা ও আগরতলায় সফলভাবে অনুষ্ঠান করেছেন। রবীন্দ্র সঙ্গীতে রাগের ব্যবহার নিয়ে তাঁর গবেষণাধর্মী কাজ ‘রাগে রবিরাগে‘ শীর্ষক পাঁচটি অ্যালবামের কাজ সম্পন্ন করেছেন। এর দুইটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে সঙ্গীত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে রবীন্দ্র সঙ্গীত অংশের রচয়িতা ছিলেন। তাঁর রবীন্দ্র সঙ্গীতের একক অ্যালবাম ‘বড় আশা বড় তৃষা‘। আরো দুটি অ্যালবামের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও করোনার কারণে প্রকাশনা বিলম্বিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে বাঙালির গান শীর্ষক গবেষণাধর্মী ধারাবাহিক অনুষ্ঠান পরিচালনা ছাড়াও রবীন্দ্রসঙ্গীত বিষয়ক গ্রন্থ রচনায় ব্যাপৃত হয়েছেন।
তানপুরা হাতে সঙ্গীত পরিবেশনরত শীলা বৌদি যখন রসের গভীরে ডুবে ধ্যানী মূর্তি পরিগ্রহ করেন, তখন তাঁকে মনে হয় যেন অজন্তার ভাস্কর্য। ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যে কিশোরী ঘুঙুর পায় কথাকলি ধ্রুপদী নৃত্যের ব্যঞ্জনা এনেছিলো, সেই কিশোরী অধুনা সত্তরোর্ধ প্রৌঢ় শীলা মোমেন।
প্রথমে তিনি ছিলেন নৃত্যশিল্পী, কৈশোরের সেই একহারা তন্বী শীলা বৌদিকে দেখে মনে হতো নাচের জন্যই যেন বিধাতা তাঁর দেহ গড়ে দিয়েছিলেন।
চট্টগ্রাম নগরের পাথরঘাটার যে গৃহটি তাঁর আঁতুরঘর, সেটি ঊনবিংশ শতাব্দীর চট্টগ্রামের ডাকাবুকো ব্যবহারজীবী অ্যাডভোকেট কালীশঙ্কর দাশের ভদ্রাসনবাটীও বটে; কিন্তু তাঁর আত্মজ কৃতী আইনজীবী অ্যাডভোকেট সি আর দাশের সময়ে সেই বাটীর অভ্যন্তরভাগ সুকুমার কলাচর্চার মনোরম মন্দির হয়ে ওঠে। কালীশঙ্কর বাবুর মধ্যে পঞ্চপুত্র জ্যেষ্ঠপুত্র শুধু নন, কনিষ্ঠও জ্যেষ্ঠের অনুগমণ করে হয়ে ওঠেন প্রথমে সংস্কৃতির অনুরাগী, পরে ক্রীড়া লেখক ও ভাষ্যকার। কালীশঙ্কর বাবুর দুই পুত্রবধূও পুতুল রাণী ও শিখা রাণী সংস্কৃতি চর্চায় সমান উৎসাহ প্রদর্শন করতে থাকেন। শিখা রাণী দাশ নজরুল সঙ্গীতের একজন খ্যাতিমান শিল্পী। এই সাঙ্গীতিক পরিবেশে ভূমিষ্ঠ ও বর্ধিত হয়ে শীলা বৌদির পক্ষে শিল্পী না হয়ে অন্য কিছু হওয়া সম্ভব ছিল না। শিল্পের বৃত্তে সারাজীবনের জন্য তখনই বাঁধা পড়ে যান তিনি।
শীলা বৌদি যেন একটি শিল্পপ্রতিমা। শুচি, শুভ্র, সুরুচি এবং জ্যোৎস্নার মত স্নিগ্ধ সৌন্দর্যের প্রস্রবণ সব সময় তাঁর অবয়বকে ঘিরে থাকে। যে পরিবারে তাঁর জন্ম, সে পরিবারটিও ছিল সংস্কৃতিচর্চার একটি উন্মুক্ত উদ্যান। সে পরিবারের কেউ গান গায়, কেউ আবৃত্তি করে, কেউ তানপুরা বাজায়, কেউ সেতার, খোল–করতাল, মন্দিরা বাজায়, কেউ কণ্ঠশীলন করে। শীলা বৌদির পিতা সি আর দাশ, যাঁকে সবাই চট্টগ্রাম বারের দুঁদে আইনজীবী হিসেবে চেনে, সেই চিত্ত বাবু যে একজন বাচিক শিল্পী এবং সঞ্চালক ক’জনই বা সে খবর রাখেন। ষাটের দশকে তাঁর আবেগঘন মাদকতাময় কণ্ঠের আবৃত্তি ও সঞ্চালনা শ্রোতাদের মোহাবিষ্ট করে রাখত।
চিত্ত বাবু নিশ্চয়ই বীণাবাদিনীর বরপুত্র ছিলেন, তাঁর তিন কন্যার প্রথম ও দ্বিতীয়া শীলা ও শর্মিলা হলেন কণ্ঠশিল্পী ও নৃত্যশিল্পী। তৃতীয়া শাশ্বতী দাশও মা সরস্বতীর কৃপাধন্য, চট্টগ্রামের প্রধান সরকারি কলেজের ইংরেজির অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান।
জন্মাবধি গৃহাভ্যন্তরে স্বর ও সুরের সাধনায় নিত্য নিবেদিত এক পরিমণ্ডলই শুধু পাননি বৌদি, ঘরের বাইরেও বহু আগে থেকে কলকাতার শীতের রাতে উস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ, বড়ে গোলাম আলী খাঁর উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের রসে মজে ভাঁড়ের চায়ে চুমুক দেওয়ার ন্যায় চট্টগ্রামের পাহাড় ও প্রকৃতির উন্মুক্ত মঞ্চে আর্য সঙ্গীত–খ্যাত সঙ্গীতাচার্য সুরেন্দ্র লাল দাশ (ঠাকুর্দা), উস্তাদ গঙ্গাপদ আচার্য, উস্তাদ শ্রীপদ আচার্য, অনতি পরবর্তী তবলার শিব শঙ্কর মিত্র, বেহালার প্রিয় গোপাল গুপ্ত (অধর বাবু), সৌরীন্দ্র লাল দাশগুপ্ত (চুলু বাবু), প্রিয়দারঞ্জন সেনগুপ্ত প্রমুখ শিল্পীদের কণ্ঠে ও যন্ত্রে ধ্রুপদ আলাপের সুর ও স্বরক্ষেপের তান লয়কারির গমক আকাশে বাতাসে অনির্বচনীয় দৃশ্যের অবতারণা করতো।
আর্য সঙ্গীতের পর চট্টগ্রাম সঙ্গীত পরিষদকে ঘিরে সঙ্গীত শিক্ষা ও চর্চার আরেকটি ধারা গড়ে ওঠে চট্টগ্রামে। উস্তাদ গঙ্গাপদ আচার্য ও উস্তাদ শ্রীপদ আচার্য আর্য সঙ্গীত থেকে বেরিয়ে ‘চট্টগ্রাম সঙ্গীত পরিষদ’ গঠন করেন। তাঁদের আকর্ষণে সঙ্গীত পরিষদে ভিড় করে আসেন সৌরীন্দ্র লাল দাশগুপ্ত (চুলু বাবু), তবলায় শিব শঙ্কর মিত্র, বেহালায় প্রিয় গোপাল গুপ্ত (অধর বাবু), সেতারে প্রিয়দারঞ্জন সেনগুপ্ত।
৬১–তে সরকারি বাধার মুখে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে সেন্ট প্ল্যাসিডস হাই স্কুলে। সেই আয়োজনের সঙ্গে বৌদির বাবা–কাকা, মা–কাকিমা তো জড়িত ছিলেনই, শীলা বৌদি এবং তাঁর বোন শর্মিলাও প্রায় সারাদিনই ঘুরঘুর করতে থাকলেন। তাঁদের বাড়ির পাশেই অনুষ্ঠান, তাঁরা তো যাবেনই, শীলা বৌদির বয়স তখন মাত্র নয় বছর। সেই বয়সেই কী অপরিসীম উৎসাহ তাঁদের ফুরফুরে হাওয়ায় উড়ে উড়ে বেড়ান দু’বোন যেন দু‘টি প্রজাপতি। সংস্কৃতির জগতে সেই অভিষেক শীলা বৌদির।
আজকে যে শীলা বৌদিকে আমরা রবীন্দ্রমানসকন্যা হিসেবে দেখি, তাঁর জন্ম কিন্তু সেই ৬১ থেকে ৬৬’র মধ্যে। ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামে প্রথমে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ঘরোয়াভাবে। সে অনুষ্ঠান হয়েছিল ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে দেওয়ান বাজার রুমঘাটায় কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরীর বাড়ির পেছনের উঠোনে। চট্টগ্রামে শীলা বৌদি বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে প্রথমাবধি যুক্ত আছেন। চট্টগ্রামে সর্বজনীন উদযোগে পয়লা বৈশাখ বরণের আয়োজন করা হয় ৭৮–এ ডি সি হিলে। সে আয়োজনে যাঁর ভূমিকা ছিল প্রধান, তিনি শীলা বৌদির সখা ও প্রণয়ী কবি আবুল মোমেন। ডি সি হিলের সমস্ত আয়োজনের মধ্যে শীলা বৌদির নিপুণ হস্তের কোমল স্পর্শ জড়াজড়ি ও মাখামাখি হয়ে ছিল।
৬৬–তে মাহবুব উল আলম চৌধুরীর বাড়ির অনুষ্ঠানে শীলা বৌদিও যোগ দিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে চমৎকার আবৃত্তি করেন তাঁর পিতা অ্যাডভোকেট সি আর দাশ–এমনটাই লিখেছেন মাহবুব উল আলম চৌধুরীর জায়া, নারী উন্নয়ন ও শিশু অধিকার বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ জওশন আরা রহমান। শীলা বৌদির মা পুতুল রাণী দাশ, কাকা ইঞ্জিনিয়ার নিখিল রঞ্জন দাশ, কাকিমা শিখা রানী দাশও যেতেন পয়লা বৈশাখের উপর্যুক্ত ঘরোয়া আয়োজনে। চমৎকার আবৃত্তি করতেন শীলা বৌদির পিতা এডভোকেট চিত্ত রঞ্জন দাশ।
১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ২২ আগস্ট জন্ম শীলা বৌদির জন্ম। ’৬৮ খ্রিস্টাব্দে বহুল প্রশংসিত ‘ছোটদের রবীন্দ্রজয়ন্তী’ অনুষ্ঠানের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
জীবন গড়িয়ে চলে। তিনি ডা. খাস্তগীর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে ম্যাট্রিক ও চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে এইচ এস সি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে অধ্যয়ন করেন। এ সময় অনেক বড় ঘটনা ঘটে যায়।
বাঙালি জাতিসত্তার বিস্ফোরণে মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে। শীলা বৌদি চলে যান মুক্তিযুদ্ধে। বিভিন্ন দুর্যোগ দুর্বিপাকের পর ওপারে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের কাজে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধকালে তিনি ‘মুক্তিযুদ্ধ শিল্পী সাহিত্যিক সহায়ক সংস্থা’র সাংস্কৃতিক স্কোয়াডে যোগ দেন এবং স্কোয়াডের সদস্য হিসেবে ইয়থ ক্যাম্প ও শরণার্থী ক্যাম্পে গিয়ে উদ্দীপনামূলক সঙ্গীত পরিবেশন করে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধে যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করতেন এছাড়া ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে, কখনো কখনো মুক্তাঞ্চলেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন।
১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে জন্মলগ্নেই শিশুপ্রতিষ্ঠান ‘ফুলকী’র সঙ্গে যুক্ত হন অধ্যক্ষ হিসেবে; শিশু–কিশোরদের শিক্ষা ও শিশুর সামগ্রিক বিকাশের লক্ষ্যে ফুলকির সকল কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০২১ পর্যন্ত তিনি ফুলকির অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। বর্তমানে তিনি ফুলকির সর্বাধ্যক্ষ। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক এবং অডিশন বোর্ডের সদস্য। সঙ্গীতভিত্তিক সংগঠন ‘রক্তকরবী’র পরিচালকও তিনি। শুদ্ধসঙ্গীত–এর প্রসার ও প্রচারের জন্যে তিনি আরো একাধিক প্রকল্পের সাথে যুক্ত। শীলা বৌদি দেশে ও বিদেশে অনেক সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছেন।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, মুক্তিযোদ্ধা












