যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুনের ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে ‘দায়ীদের’ খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সরকার। গতকাল রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, আমরা দাবি করব বাংলাদেশ থেকে এবং মন্ত্রণালয় থেকে, যাতে যুক্তরাষ্ট্র এর তদন্তটা ভালোমত করে, দ্রুততার সাথে করে। যারা এই নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে, সেটা বের করে যেন তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়; সেটা অবশ্যই আমাদের চাইব। যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার লিমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তারপর পুলিশ বৃষ্টির পরিবারকে ফোনে জানায়, তাকেও হত্যা করা হয়েছে। তবে এখনও তার লাশ পাওয়া যায়নি। লিমনের লাশ উদ্ধারের পর তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুগারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হিশামের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর হত্যাকাণ্ডকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ হিসেবে বর্ণনা করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক। একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে ফ্লোরিডাতে নিহত হয়েছে নৃশংসভাবে। ছেলেটির ডেডবডি পাওয়া গেছে। আরেকজনের ডেডবডি এখনও পাওয়া যায়নি, সেটা আমরা শুনেছি। আমাদের মন্ত্রণালয়, ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস, স্টেট ডিপার্টমেন্ট (মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর), এফবিআই থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব এজেন্সির সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি প্রতিনিয়ত।
শামা ওবায়েদ বলেন, ব্যক্তিগতভাবে দুজনের (লিমন ও বৃষ্টি) অভিভাবকের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। বৃষ্টির ভাই এবং লিমনের বাবার সঙ্গে আমি কথা বলেছি গতকাল। বৃষ্টির লাশ উদ্ধার ও উভয়ের মরদেহ দেশে ফেরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে মরদেহ ফেরানো হবে। সে ক্ষেত্রে সরকার সহযোগিতা দেবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এটাতে সহযোগিতা করছে এবং আমরা চেষ্টা করছি ওদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আনা যায়। কিন্তু এটা একটা লিগ্যাল ব্যাপার। তো, সেই জায়গাটায় আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে গভীরভাবে যোগাযোগ রাখছি।














